প্রত্যাবাসনের তালিকাভুক্ত রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকার শুরু আজ

ডেস্ক নিউজ:

প্রত্যাবাসনের তালিকায় নাম থাকা রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকারের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে কক্সবাজার টেকনাফের শালবাগান রোহিঙ্গা শিবিরে। মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে সাক্ষাৎকার শুরু করা হবে। এজন্য সোমবার (১৯ আগস্ট) ক্যাম্প ইনচার্জের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা শিবিরে বসবাসকারীদের বার্তা দেওয়া হয়েছে।

টেকনাফের জাদিমোরা শালবন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ মোহাম্মদ খালেদ হোসেন বলেন, ‘প্রত্যাবাসনের তালিকায় নাম থাকা রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে মঙ্গলবার থেকে। এজন্য ক্যাম্প ইনচার্জের অফিসের পাশে বেশ কয়েকটি প্লাস্টিকের ঘর তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ৩ হাজার ৩১০ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। সাক্ষাৎকারের সময় ইউএনএইচসিআর এবং শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।’

সরেজমিনে দেখা গেছে, শিবিরের সামনের দোকানে রোহিঙ্গারা জড়ো হয়ে রাখাইন ভাষার লিফলেট পড়ছেন। প্রত্যাবাসনকারী রোহিঙ্গাদের কী করা হবে সেই বিষয়ে লেখা আছে ওই লিফলেটে। এছাড়াও রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে রাজি করাতে আলাদাভাবে নারী ও পুরুষদের সঙ্গে বৈঠক করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা নুর বশর বলেন, ‘লিফলেটে লেখা আছে, প্রত্যাবাসনকারী রোহিঙ্গাদের প্রথমে এনভিসি কার্ড নিতে হবে। তারপর নাকফুরা শিবিরে রাখা হবে। সেখান থেকে ছয় মাসের আইডিবি ক্যাম্পে নেওয়া হবে। তাই কোনও রোহিঙ্গা নাগরিকত্ব ও সমঅধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার ফেরত যাবে না। কারণ মিয়ানমার সরকার মিথ্যাবাদী। তাদের কোনোভাবে বিশ্বাস করা যাচ্ছে না।’

রাখাইন ভাষার লিফলেট প্রসঙ্গে টেকনাফের শালবন রোহিঙ্গা শিবিরের নেতা বদলুল ইসলাম বলেন, ‘মূলত ন্যাশনাল ভ্যারিফিকেশন কার্ড (এনভিসি)-কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সেখানে। যেসব রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে যাবে, তাদের প্রথমে এনভিসি কার্ড দেওয়ার উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই বিষয়ে রোহিঙ্গাদের মধ্যে ভীতি কাজ করছে। কারণ আগেও রোহিঙ্গাদের এনভিসি কার্ড দেওয়ার নামে বিতাড়িত করা হয়েছিল।’

প্রত্যাবাসনের জন্য বোঝানো হচ্ছে রোহিঙ্গাদের
প্রত্যাবাসনের জন্য বোঝানো হচ্ছে রোহিঙ্গাদের

জানা যায়, ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসনের জন্য সাড়ে তিন হাজার রোহিঙ্গাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এজন্য কাজ করছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ‘ইউএনএইচসিআর’ এবং শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (আরআরআরসি) কার্যালয়।

তবে বাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা পরিষ্কারভাবে কিছু না বললেও প্রত্যাবাসন নিয়ে প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা ঘটে। প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন শুরু করে। ফলে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। পুরনোসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি শিবিরে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। তবে জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়।

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় শরণার্থী নীতি ও সরকারের একক কর্তৃত্বের দাবি

খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি

চকরিয়ায় ছোটবোনের দায়ের করা মামলায় বড় ভাই গ্রেপ্তার

ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল ও কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান সম্পন্ন

যেসব বদ স্বভাবে মানুষের চরম অধপতন ঘটে

বুবলীকে বিয়ে প্রসঙ্গে মুখ খুললেন শাকিব খান

কিডনিতে পাথর দূর করার ঘরোয়া উপায়

বান্দরবানে আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৪৬২

করোনার চিকিৎসায় অবিশ্বাস্য সাফল্য সিঙ্গাপুরের

কক্সবাজারে ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়মের ব্যবস্থা নিতে ভূমিমন্ত্রীর নির্দেশ

দুদক কমিশনার মোজাম্মেল হকের অরুণোদয় পরিদর্শন

সিটি কলেজের শিক্ষকদের নিয়ে যক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক সেমিনার সম্পন্ন

টেকনাফে পুলিশের সাথে গুলাগুলিতে মানবপাচারকারী নিহত

নেত্রী সেজে পাপিয়ার পতিতা ও মাদক ব্যবসা

৯৬ জলদস্যুকে পুনর্বাসনে ৯৬ লাখ টাকা দিচ্ছে সরকার

ভাষা শহীদদের স্মরণে ফুটবল খেলা উদ্বোধন

‘সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা’ ২৫ ফেব্রুয়ারী

চট্টগ্রামে বিএসপিআই-এর প্রীতি সম্মেলন ও মেজবান

বর্ণমালা একাডেমীর বার্ষিক ক্রীড়ার পুরষ্কার বিতরণ