‘ডেঙ্গু মোকাবিলায় আগামী সপ্তাহটা চ্যালেঞ্জিং’

ডেস্ক নিউজ:

ডেঙ্গু মশাসারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা কমলেও ডেঙ্গু মোকাবিলায় আগামী সাত দিনকে চ্যালেঞ্জিং বলছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. সানিয়া তহমিনা। তিনি বলেন, ‘আবহাওয়া অনুকূলে নয়, এডিসের দুর্গে যদি আমরা আঘাত হানতে না পারি, তাহলে পরিস্থিতি কী হবে বলা মুশকিল।’
শনিবার ( ১৭ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. সানিয়া তহমিনা বলেন, ‘ঈদে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া মানুষ আগামীকাল থেকে ঢাকায় ফিরবে। আমি বলবো, আগামী সাতটা দিন আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং। এই সাত দিন অবজার্ভ করতে হবে, তারপরই এর ট্রেন্ড বলা যাবে। যতক্ষণ না এটা প্রাক্টিক্যালি দেখা যাবে, ততক্ষণ নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।’
তবে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন্স সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের হিসাব অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় (১৬ আগস্ট সকাল ৮টা থেকে ১৭ আগস্ট সকাল ৮টা) নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৪৬০ জন। যার মধ্যে ঢাকার ভেতরে ৬২১ জন আর বাইরে ৮৩৯ জন; যা গতকালের তুলনায় ১৫ শতাংশ কম। আবার ঢাকায় নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৬২১ জন; যা গতকালের তুলনায় ১৮ শতাংশ কম। একইসঙ্গে ঢাকার বাইরের রোগীর সংখ্যাও গতকালের চেয়ে ১৩ শতাংশ কম।
তবে শুধু এই মাসের প্রথম থেকে আজ শনিবার (১৭ আগস্ট) পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ১৫ জন, গত মাসে এই সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার ২৫৩ জন। সংখ্যার হিসেবে আগস্টের অর্ধেকে জুলাইয়ের পুরো মাসের চেয়ে দ্বিগুণ সংখ্যক মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন।
কন্ট্রোল রুমের হিসাব থেকে জানা যায়, এ বছরের জানুয়ারিতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ৩৮ জন, ফেব্রুয়ারিতে ১৮ জন, মার্চে ১৭ জন, এপ্রিলে ৫৮ জন, মে মাসে ১৯৩ জন, জুনে এক হাজার ৮৮৪ জন, জুলাইয়ে ১৬ হাজার ২৫৩ জন এবং এ মাস অর্থাৎ আগস্টের ১৭ দিনে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩৩ হাজার ১৫ জন।
আরও জানা যায়, বর্তমানে দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সাত হাজার ৮৫৬ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে রয়েছেন চার হাজার ৪৩ জন, আর ঢাকা শহর ছাড়া ঢাকা বিভাগসহ মোট আট বিভাগে ভর্তি রোগীর সংখ্যা তিন হাজার ৮১৩ জন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু কর্মসূচির প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. এমএম আক্তারুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “আমরা দেখছি হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে কমছে। আর সম্প্রতি দেশে সিঙ্গাপুর থেকে একজন বিশেষজ্ঞ এসেছেন, তিনি বলেছেন ‘ম্যান অ্যান্ড মসকুইটো কন্ট্রাক্ট’ যেন না হয়। অর্থাৎ নিজেদের মশার কামড় থেকে রক্ষা করতে হবে। হাফ হাতা জামা পরতে হবে। একইসঙ্গে পারসোনাল প্রটেকশান নিশ্চিত করতে হবে। যারা প্রথমবার আক্রান্ত হয়েছেন, তারা যেন দ্বিতীয়বার আক্রান্ত না হন সেজন্য নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। ”

সর্বশেষ সংবাদ

প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে বনজ সম্পদ ধ্বংস করা হচ্ছে

‘রোহিঙ্গা হুমায়রা’

স্বাচিপ কক্সবাজার জেলা কমিটি: ডা. মাহবুব আহবায়ক ডা. মারুফ সদস্যসচিব

ঢাকাকে ক্যাসিনোর শহর বানিয়েছে বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

সরকারি মাতামুহুরী কলেজের অনার্স কোর্স চালুর দাবি

বিক্রি করতে গিয়ে ৯,৯৩০ ইয়াবাসহ ধরা পড়লো রোহিঙ্গা নাগরিক

চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ এস আই লোহাগাড়া থানার বিকাশ রুদ্র

মেদ কমাতে বেল্ট ব্যবহারের ফল ভয়ানক

সিএনজিচালক বাবার অনুপ্রেরণায় আজকের বিপ্লব

ফ্রিডম পার্টির ক্যাডার থেকে যুবলীগ নেতা খালেদ

মাছ ধরার ট্রলারে পাওয়া গেল ২ লাখ ইয়াবা, মিয়ানমারের ৮ নাগরিক আটক

ইউরোপের পাটের বাজার নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের চেষ্টা

পানির ট্যাঙ্কে বিষ ঢেলে হত্যাচেষ্টা, একই পরিবারের ৫ জন হাসপাতালে

সাবেক আইজিপি নুর মোহাম্মদ ২ দিনের সফরে কক্সবাজারে

ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া তৈরীতে শুক্রবার আসছে উচ্চ পর্যায়ের টিম

লোহাগাড়ায় পূজা উদযাপন পরিষদ : সভাপতি শিবু রঞ্জন, সম্পাদক খোকন

শ্রমিকলীগের সভাপতি- সম্পাদকের সাথে জহির ও আনসারীর সাক্ষাৎ

উখিয়ায় এনজিও কর্মীর লাশ উদ্ধার

চট্টগ্রামে পাচারকারী চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ রোডে সড়ক দুর্ঘটনায় মহিলা নিহত, আহত ২