বার্তা পরিবেশক :

কক্সবাজারের মহেশখালীতে ওয়ার্ড মেম্বারের নেতৃত্বে ৮/৯ জনের একদল সন্ত্রাসী মিলে সৃজিত বাগানের গাছ কেটে জমি দখলে নিতে হামলা চালিয়েছে বাগানের মালিক এবাদুল করিম (২৭) নামের এক যুবকের উপর।

আহত যুবকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ আগষ্ট) সকাল ৯টায় দিকে উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের দক্ষিণকূল এলাকায় স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে ৮/৯ জনের একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালায়।

আহত এবাদুল করিম একই এলাকার হাজী অলি আহম্মদের ছেলে।

আহত অবস্থায় এবাদুল করিমকে প্রথমে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে আহতের অবস্থার অবনতি হলে জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

আহতের ভাই মাহমুদুল করিম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের বসতবাড়ির পাশে প্রায় এক একর জায়গায় একাশি গাছের বাগান সৃজন করি। এতো বছর পর যখন ওই গাছ আকারে বড় হয়, তখন দখলবাজদের নজরে পড়ে। গাছ কেটে জমি দখলে নিতে শনিবার সকালে স্থানীয় ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বার রেজাউল করিম ও তাঁর ভাই মোজ্জামেলের নেতৃত্বে ৮/৯ জনের একদল সন্ত্রাসী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের সৃজিত বাগানের বেশ কয়েকটি গাছ কেটে জমি দখলে নেয়ার চেষ্টা চালায়। এতে আমার ভাই এবাদুল প্রতিবাদ করতে গেলে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার রেজাউল করিম, মেম্বারের ভাই মোজাম্মেল, রাশেদুল ইসলাম, মোহাম্মদ নওশাদসহ বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী মিলে আমার ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে গুরুতর আহত করে। এসময় আমার ভাইয়ের চিৎকারে বাড়ি থেকে বের হয়ে তাকে উদ্ধার করতে করি। ওই সময় সন্ত্রাসীরা আমাকেসহ মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পরা প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় রক্তাক্ত অবস্থায় এবাদুলকে উদ্ধার করে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

তিনি বলেন, এর আগেও বেশ কয়েকবার স্থানীয় মেম্বার রেজাউল করিমসহ তার সন্ত্রাসী বাহিনী আমাদের জায়গায়টি দখলে নেয়ার চেষ্টা চালায়। গত ১৫ দিন আগেও আমার ওই বাগানের গাছ কেটে ফেলার হুমকি দিয়েছিল মেম্বার রেজাউল করিম।

এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানান এবাদুল করিমের পরিবার।

মহেশখালী থানা পুলিশ জানায়, হামলার বিষয়ে তাদের কেউ অবগত করেনি। অভিযোগ পেলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •