সম্পত্তি দখলে নিতে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছেন আমার দু’ চাচা ডাঃ আনোয়ার ও আজিজ
বার্তা পরিবেশক:
আমার দাদা মরহুম বশির আহমদ চৌধুরীর রেখে যাওয়া সম্পত্তি অবৈধ দখলে বাধা হয়ে দাঁড়ায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছেন আমার দু’চাচা ডাক্তার আনোয়ারুল হক চৌধুরী ও আজিজুল হক চৌধুরী। শুধু তাই নয়, দু’চাচা মিথ্যা আশ্বাস ও ষড়যন্ত্র করে ইতোমধ্যে আমার মরহুম বাবা, মরহুম দু’চাচা, মরহুমা তিন ফুফি ও জীবিত ছয় ফুফির ওয়ারিশদের প্রাপ্ত সম্পত্তির অধিকাংশ নিজেদের করে নিয়েছেন। এখন নতুন ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অপপ্রচারের মাধ্যমে দু’চাচা আমার সম্পত্তির দখলে নিতে তৎপর হয়ে উঠেছেন। প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে পরিবারের ইমেজ ধ্বংসকারী ষড়যন্ত্রের হোতা চাচা আজিজুল হক চৌধুরী আরেক চাচা ডাক্তার আনোয়ারের ইন্ধন ও অর্থে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তি মূলক সংবাদ চাপাচ্ছেন। অথচ মরহুম বশির আহমদ চৌধুরীর পরিবারের সম্মান ও ইমেজ বৃদ্ধিতে আমার মরহুম বাবা ও আমার অবদান ছিল সর্বাগ্রে। এই অভিযোগ করেছেন চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল এহেছান চৌধুরী সাইফুল। চেয়ারম্যান সাইফুল অভিযোগ করেন, আমার দাদার উচ্চ শিক্ষিত দু’ছেলে ডাক্তার আনোয়ার ও আজিজুল হক চৌধুরী দাদা এবং দাদীর সম্মানহানী করে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে উমেদা বশির ট্রাস্ট নামে যৌথ সম্পত্তির প্রায় ১৮ কানি বাগান বাড়ি, বসত ভিটা দখলে নিয়েছেন। এছাড়া এই ট্রাস্টের নামে ডাক্তার আনোয়ার এক কোটি টাকা ব্যাংক লোন নিয়ে চট্টগ্রামে বিনিয়োগ করেছেন। এর সামনে আমার ভোগ দখলে থাকা ৭ কানি আয়তনের পুকুরটি দখলে নিতে তারা তৎপরতা চালাচ্ছেন। সত্য যে, মালুমঘাটের সকল দোকানপাট বন-বিভাগের জায়গায় নির্মিত। বন-বিভাগের এসব জমি কেনাবেচা করা রাষ্ট্রীয় আইনে অপরাধ। অথচ আমার পরিশ্রমে গড়া মালুমঘাটের দোকানটি এখন আমার গুণি! চাচারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও মামলা দিয়ে নিজেদের করে নিতে চাইছেন। দীর্ঘদিন ধরে আমার ভোগ দখলে থাকা দোকানটির জন্য আমি বন-বিভাগে দুটি মামলায় অভিযুক্ত হয়েছি।
আমি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলতে চাই, সম্পত্তির সকল কাগজপত্র নিয়ে মুখোমুখি বসুন। সকল ওয়ারিশদের ন্যায্য হিস্যা বুঝিয়ে দিন। আমার অপরাধ থাকলে আমি যেকোনো শাস্তি মাথাপেতে নেব। মিথ্যা মামলা ও অভিযোগ দিয়ে আমরা এতিমদের সম্পত্তি দখল করে কখনও পার পাবেন না বলে দু’চাচার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •