ইমাম খাইর, সিবিএন:
মাদক নির্মূলে ইমাম, খতীব, আলেম ও ইসলামী ব্যক্তিত্বদের প্রশাসনিক সহযোগিতা দরকার বলে মন্তব্য করেছেন কক্সবাজারের বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন ও জাতীয় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম সমিতির সভাপতি কাজি মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ছিদ্দিকী।
তিনি বলেন, সরকার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। প্রতিদিন মাদক ব্যবসায়ী মরছে। ক্রয় ফায়ার দেয়া হচ্ছে। আটক হয়ে কারাগারে যাচ্ছে। শীর্ষ কারবারিদের অনেকে আত্মসমর্পনের মাধ্যমে কারাগারে গিয়েছে। মাদক নিয়ে সরকার মহাচ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। তবু মাদক ব্যবসা থামছেনা কেন? আজ ভাবিয়ে তুলেছে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে আলেম-ওলামারাই অন্যতম সহায়ক শক্তি।
বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) বিকালে কক্সবাজার নিউজ ডটকম (সিবিএন)কে কথাগুলো বলেছেন মাওলানা ছিদ্দিকী।
তার মতে, সরকারী বাহিনী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, গোয়েন্দা বিভাগসহ বেসরকারী বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থা মাদক নির্মূলে কাজ করছে। তা সত্যি প্রশংসনীয়। তবু মাদকের চালান বন্ধ হচ্ছেনা। বরং বিস্তৃতি বাড়ছে।
মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে যারা ইসলামের ধারক বাহক হিসেবে সমাজে পরিচিত তথা হক্কানি আলেম ওলামা, ইমাম, খতিব ও ইসলামী ব্যক্তিত্বদের নিয়ে এলাকাভিত্তিক আলাদা প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে পারলে খুবই ফল বয়ে আনবে। তার প্রশ্ন, মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযুক্তদের দিয়ে আদৌ কি মাদক নির্মূল সম্ভব? অনেক এলাকার চিত্র কিন্তু এমনটাই।
ইমাম সমিতির সভাপতির মতে- আলেম ওলামা, ইমাম-খতীবরা মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে অনেকে চাকুরিচ্যুতির শিকার হন। প্রাণনাশের হুমকি দেয় মাদক কারবারিরা। কারণ, অনেক মসজিদ কমিটিতে মাদকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও রয়েছে। স্বার্থের বিরুদ্ধে কথা হলেই আলোচকের ওপর রুষ্ট হন অভিযুক্তরা। মাদকের বিরুদ্ধে বাধাহীন প্রচারণায় আলেমদের প্রশাসনিক শেল্টার দিতে হবে।
মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ছিদ্দিকী বলেন, শুধু আইনের মাধ্যমে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। জনগণের মাঝে ধর্মীয় অনুভূতি ব্যাপকহারে জাগ্রত করে মাদকের সুফল ও কুফলের ব্যাপক প্রচার করতে হবে। তিনি বলেন, জনগণের দৃষ্টিভঙ্গিও পরিবর্তন ও আইনের কঠোরতা দরকার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •