cbn  

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বর্তমান সময়ে দেশজুড়ে চরম আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে ডেঙ্গু। হবে না কেন? ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এই কয়েকদিনে অকালে মারা গেছেন বেশ কয়েকজন। এই তালিকায় রয়েছে খোদ সিভিল সার্জনসহ কয়েকজন সম্ভাবনাময়ী মানূষ। চোখের সামনে এমন মানুষগুলোর আকস্মিক মৃত্যু দেশজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছে চরম আতঙ্ক। তার সাথে দেশের বিভিন্ন জায়গায়ও ছড়িয়ে পড়ছে আতঙ্কের ডেঙ্গু। এই তালিকায় পর্যটন নগরী কক্সবাজার রয়েছে অন্যতম শীর্ষ তালিকায়। ইতিমধ্যে কক্সবাজারে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে বেশ কিছু মানুষ। মারা গেছেন এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীও। তাই কক্সবাজারে ডেঙ্গু নিয়ে বেশ তোড়জোড় চলছে। জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিচ্ছে নানা উদ্যোগ। ডেঙ্গু প্রতিরোধে বড় উদ্যোগ নিয়েছে কক্সবাজারের নামকরা প্রতিষ্ঠান হোপ হসপিটাল।
জানা গেছে, ঢাকায় ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাব সৃষ্টি পর থেকে সতর্ক হয় হোপ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তারা সেই থেকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নানা কার্যকর প্রস্তুতি হাতে শুরু করে। ইতিমধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে হোপ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এই নিয়ে ডেঙ্গু বিষয়ক এক মেডিকেল ওরিয়েনেটশনের আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার বিকাল তিনটায় হোপ হসপিটাল ও হোপ ফাউন্ডশনের সকল চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের সাথে নিয়ে আয়োজিত এই মেডিকেল ওরিয়েনটেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজারেরর সিভিল সার্জন মো: আবদুল মতিন।
হোপ ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর কে এম জাহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত মেডিকেল ওরিয়েনটেশনে ডেঙ্গু বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. সাইমুম ফারহানা ও ডা. ইসমাঈল ইদ্রিস।
মেডিকেল ওরিয়েনটেশনে প্রধান অতিথি সিভিল সার্জন আবদুল মতিন বলেন, ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। তা প্রতিরোধে দরকার শুধু সচেতনতা ও যথা সময়ে যথাযথ চিকিৎসা। ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে সাথে সাথে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে এবং শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থেকে পরিপূর্ণ চিকিৎসা নিতে হবে। এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী সুস্থ্য হয়ে উঠতে পারবে।’
তিনি আরো বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে হোপ হাসপাতাল ও হোপ ফাউন্ডেশন যে উদ্যোগ নিয়েছে তা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। তাদের এই উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাচ্ছি। তাদের এই প্রক্রিয়ায় আমাদের সহযোগিতা থাকবে।’
সভাপতির বক্তব্যে হোপ ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর কে এম জাহিদুজ্জামান বলেন, হোপ ফাউন্ডেশন ও হোপ হাসপাতাল মানুষের স্বাস্থ্য সেবার জন্যই নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে দেশজুড়ে ডেঙ্গুর যে প্রাদুর্ভাব সৃষ্টি হয়েছে তা প্রতিরোধেও সেভাবে কাজ করতে বদ্ধপরিকর হয়েছি আমরা। সে লক্ষ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের সাথে সমন্বয় করে আমরা কাজ শুরু করেছি। এটা দৃঢ়ভাবে চলমান থাকবে। যে কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে হোপ হসপিটালে এসে চিকিৎসা নিতে পারবে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজারের কৃতিসন্তান আমেরিকা প্রবাসী ইফতিখার মাহমুদের প্রতিষ্ঠিত হোপ ফাউন্ডেশন পরিচালিত হোপ হসপিটাল ২০ বছর ধরে কক্সবাজার এবং দেশের স্বাস্থ্যসেবায় প্রশংসনীয় অবদান রেখে যাচ্ছে। মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য সেবার পাাশাপাশি সব স্তরের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •