মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

তথাকথিত ‘ছেলেধরা’ গুজবে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে কক্সবাজারে গুজব সৃষ্টিকারী ৩ জনকে ইতিমধ্যে সনাক্ত করা হয়েছে এবং তারা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্পূর্ণ নজরদারিতে রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাদের আইনের মাধ্যমে চরম ভয়াবহ পরিনতি ভোগ করতে হবে। কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন সিবিএন-কে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, কথিত ‘ছেলেধরা’ গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গত ২৬ জুলাই শুক্রবার অজ্ঞাত শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে টেকনাফ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি এখন তদন্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং কথিত ‘ছেলেধরা’ গুজবে জড়িত অনেকের নাম সেখানে বেরিয়ে আসছে।
ভারপ্রাপ্ত এসপি মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বলেন-সারাদেশে তথাকথিত ‘ছেলেধরা’ সংক্রান্ত এ পর্যন্ত ৪৬ টি ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। প্রতিটি ঘটনা বহুমুখী তদন্ত করে দেখা গেছে কোনটিই তথাকথিত ‘ছেলেধরা’ বিষয়ক নয়। ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এসব ঘটনা পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে। অর্থাৎ তথাকথিত ‘ছেলেধরা’ ব্যক্তির সাথে কারো সম্পত্তির দ্বন্ধ, কারো নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব, কারো টাকা পয়সার লেনদেন, কারো জমিজমার সীমানার দ্বন্দ্ব, কারো সাথে প্রেমের সম্পর্ক, স্থানীয়ভাবে শত্রুতা, কারো পেশাগত শত্রুতা ইত্যাদি বিভিন্ন স্বার্থ হাসিল করতে তথাকথিত ‘ছেলেধরা’ নাটক সাজিয়ে আক্রমণ করা হয়েছে। ‘ছেলেধরা’ অপবাদ দিয়ে শত্রুতা হাসিল করছে। আবার কেউ কেউ দেশের শান্ত পরিবেশকে পরিকল্পিতভাবে অশান্ত ও দেশব্যাপী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে এবং সরকারের চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ডকে ব্যাহত করতে এ ধরনের একের পর এক গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তাই এ ধরনের গুজবে কাউকে কান না দিতে ভারপ্রাপ্ত এসপি মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •