cbn  

শাহেদ মিজান, সিবিএন:

কক্সবাজার জেলার তিন চেয়ারম্যান ও তিন মেম্বার পদের উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকে সর্বশেষ সকাল ১১টা পর্যন্ত কোথাও কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটগ্রহণ ও শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ, র‌্যাব ও আমর্ড পুলিশের সদস্যরা।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচিত চেয়ারম্যান গত উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী ও কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ ইউনিয়ন এবং চেয়ারম্যান এসকে আনোয়ারের মৃত্যু হওয়ায় টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে এবং ইউপি মহিলা সদস্যের মৃত্যু হওয়ায় টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের সংরক্ষিত (১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ড) ও উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয়ায় মহেশখালীর শাপলাপুরের সংরক্ষিত (১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ড) মহিলা সদস্য পদে এবং চকরিয়ার কৈয়ারবিলের একটি ওয়ার্ডে পুরুষ ইউপি সদস্য পদে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে।

চেয়ারম্যান পদে হ্নীলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত রাশেদ মাহমুদ আলী (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মীর মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (মোটর সাইকেল) ও জালাল উদ্দিন চৌধুরী (আনারস)। চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, ওয়ার্কার্স পার্টির কক্সবাজার জেলার সাধারণ সম্পাদক স্বতন্ত্র প্রার্থী মাঈনউদ্দিন হাসান শাহেদ (আনারস), জামায়াত নেতা মো. ফরিদুল আলম (মোটর সাইকেল), যুবলীগ নেতা মো. নাজমুল হাসান (ঘোড়া), হাসনাত মোহাম্মদ ইউসুফ (রজনী গন্ধা), রফিক আহমদ (টেলিফোন), রিদুয়ানুল হক (চশমা), মো. ইখতিয়ার উদ্দিন (অটো রিকসা)। কুতুবদিয়ার বড়ঘোপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান বড়ঘোপ ইউনিয়ন আ‘লীগের আবুল কালাম, জাতীয় পার্টির আ.ন.ম শহীদ উদ্দিন ছোটন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী তৌহিদুল ইসলাম খোকন। এসব নির্র্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের জন্য নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন, তিনজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ১১জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পর্যাপ্ত সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য নিয়োজিত রয়েছে।

কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইন বলেন, ‘উপ-নির্বাচনগুলোতে প্রচুর ভোটার উপস্থিতি রয়েছে। সবখানে সম্পূর্ণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ করতে আগে থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। এর অংশ হিসেবে প্রতিটি এলাকায় পর্যাপ্ত পরিমাণ আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কঠোর নিরাপত্তা জোরদার থাকায় কোথাও কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা পর্যন্ত এখন পর্যন্ত ঘটটে পারেনি।’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •