cbn  

শাহ্ ওমর 

আচ্ছা! ক’দিন ধরে যে আগুন লাগছিলো সবখানে। দেশেজুড়ে একযোগে অগ্নিসংযোগ। বাদ যায়নি@ রাজধানী, মহানগর, জেলা শহরসহ উপ-শহর গুলিও। স্রেফ দুর্ঘটনা বলে উড়িয়ে দিয়েছিলো সবাই। আগুন নেভাতে যায়নি জনতা। উৎসাহী জনতার ঐক্যবদ্ধতা মুঠোফোনের সেল্ফি আর ঘটনার ভিডিও ধারণেই বেশি ব্যবহার হয়েছে। সেদিন সরকারের পক্ষ্য থেকে একাধিকবার বিভিন্ন মাধ্যমদ্বারা অনুরোধের পরেও জনগণকে অগ্নিসংঘাত বন্ধে এক-যোগে কাজ করার আহবান জানিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি। ট্রেডিশনালি বাঙালি দেখতেই পছন্দ করে।

যাক বন্ধ হয়েছে আগুনের খেলা; এখন উন্নয়নের অগ্রযাত্রার আনন্দের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ফাগুনও।। সরকার মধ্যবিত্তের পেনশানের মতো আগলে রেখেছে দেশটার যৌবন। কিন্তু হঠাৎ কেনো বাঙালি আবার তথাকথিত ঐক্যবদ্ধতার নাটকীয় কায়দায় একত্রিত হয়ে গণপিটুনির অংশীদার হয়েছে!!!। স্বপ্নে কিংবা তন্দ্রায় গলাকাটা দল এসেছে বলে জেগে উঠেছে? এরা কিসের তরে,কোন ষড়যন্ত্রের প্রেক্ষাপটে এ ঘটনাগুলি বারবার ঘটাচ্ছে।?

…এ এক্সপ্রেসওয়েতে ঘটমান- প্রত্যেকটা ঘটনার কিন্তু পরবর্তী ঘটনার রেফারেন্স রেখে গিয়েই ঘটছে। ফ্ল্যাশব্যাকে গিয়ে ভাবুন। তারপর এসব ক্রাইসিস সামাল দিতে, শুরু থেকে অনুসন্ধান করুন। এভাবে মাঝ সমুদ্রে হাতা-হাতি করে কোন অপরাধের একচ্যুয়াল রিপোর্ট বানানো সম্ভব না। অপরাধতত্ব মতে; সমুদ্রসম ন্যাশনাল ক্রাইসিস গুলা পার্ফেক্টলি প্যাক-আপ করতে হলে অনুসন্ধান তীরথেকে আরম্ভ করতে হবে।

সাম্প্রতিক ঘটা দুর্ঘটনার একটাও পার্ফেক্ট ক্রাইম না। ক্রিটিকাল-এনালাইসিস করতে হবে আর ইন্টেলিজেন্স টিমকে আরও সুক্ষ্ম ভাবনায় আগাতে হবে। পরবর্তী ঘটনা(গুজব) সৃষ্টির আগেই। আমাদের হাতে সময় খুবই অল্প।

মনে রাখতে হবে সকল কিছুর উর্ধ্বে দেশ। দেশদ্রোহীদের কোন ক্ষমা নেই৷ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের আইনের হাতে সোপর্দ করতে; স্ব-স্ব গ্রাম/মহল্লা/শহরের সুশীল শ্রেণীকে গুজবের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার লগ্ন চলে এসেছে।


লেখকঃ সাংবাদিক,রাজনীতিবিদ।
২৪ জুলাই, ২০১৯ইং

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •