বাংলা ট্রিবিউন:
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে আমদানির পেঁয়াজের দাম কমে স্বাভাবিক পর্যায়ে আসছে। আরেক দফা দাম কমে এখন পাইকারি (ট্রাকসেল) বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৬ টাকায়। তবে মান ভেদে দামের কিছুটা তারতম্যও আছে। উন্নতমানের পেঁয়াজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ২০ টাকা কেজি দরে।

বাংলাদেশে এই মওসুমে পেঁয়াজের চাষ না থাকায় গত বছরের সংরক্ষিত দেশি পেঁয়াজের পাশাপাশি বছরজুড়েই আমদানির পেঁয়াজ দিয়ে ভোক্তাদের চাহিদা মেটানো হয়ে থাকে। তবে ঈদকে সামনে রেখে সুবিধাবাদী শ্রেণির ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে পেঁয়াজের বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালায়। ভারতের নাসিকে পেঁয়াজের দাম সামান্য বাড়লেও তার প্রভাব যতটা পড়ার কথা বাজারে তারচেয়েও বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রির চেষ্টা চলছিল। তবে সরকারের নির্দেশনা এবং ব্যবসায়ীরা বেশি বেশি এলসি খোলায় পেঁয়াজ আমদানির অন্যতম স্থলবন্দর হিলিতে পেঁয়াজের পাইকারি দাম সহনীয় পর্যায়ে আসতে শুরু করেছে।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক সাইফুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, কোরবানির ঈদকে ঘিরে দেশের বাজারে পেঁয়াজের চাহিদা বাড়ে। সেই বাড়তি চাহিদার কথা মাথায় রেখে বন্দরের ছোট বড় সবধরনের আমদানিকারকরা পেঁয়াজ আমদানির জন্য প্রচুর পরিমাণে এলসি ওপেন করেছেন। পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণও বাড়িয়ে দিয়েছেন। এছাড়া পাইপলাইনেও প্রচুর পেঁয়াজ রয়েছে দেশে প্রবেশের জন্য। এতে করে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি বেড়েছে। আগে যেখানে বন্দর দিয়ে ১৫ থেকে ২০ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হতো এখন সেখানে ৪৫ থেকে ৫০ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। শুধু হিলি স্থলবন্দর দিয়েই নয় দেশের সবগুলো বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বেড়েছে।

তিনি দাবি করেন, প্রচুর আমদানি হলেও বন্যার কারণে দেশের বাজারে পেঁয়াজের চাহিদা বাড়েনি। এতে বন্যা দুর্গত এলাকায় পেঁয়াজের ক্রেতা সংকট দেখা দিয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •