আজিম নিহাদ:

রূপালী পর্দার চিত্রনায়ক ফেরদৌস এপার বাংলা ছাড়িয়ে ওপার বাংলাতেও (কলকাতা) বেশ জনপ্রিয়। বাংলা সিমেনার কিছু কিছু চরিত্র দিয়ে ভক্তদের হৃদয়ে পোক্ত হয়ে আছেন এই নায়ক। এবার তিনি সিনেমার বাইরে একটি নতুন জগতে পা রাখতে চান। সেই জগতে জনপ্রিয়তা নয়, চান মানুষের সেবা করতে।

সিনেমার বাইরে কি সেই জগৎ? চিত্র নায়ক ফেরদৌস নিজেই জানিয়েছেন তার নতুন জগতের নতুন স্বপ্নের কথা। ফেরদৌস বলেছেন, ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছেন তিনি সিনেমার বাইরে এসে রাজনীতির মাঠে নামবেন। তবে সিনেমা জগত যে একেবারে ছাড়ছেন তাও নয়।

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সিমেনা জগতে আছি। এই জগতে থেকে মানুষের জন্য সরাসরি তেমন কিছু করা সম্ভব হয় না। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি রাজনীতি করার। রাজনীতিতে মানুষের কল্যাণে অনেকবেশি কাজ করা যায়। তাই এখন থেকে ফুলটাইম রাজনীতির মাঠে থাকবো।’

ফেরদৌস বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন অত্যন্ত বিচক্ষণ ও মহৎ গুণাবলির অধিকারী। তিনি আমাকে অত্যন্ত স্নেহ করেন। আমি প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে রাজনীতির মাঠে আসতে চাই।’

চিত্র নায়ক ফেরদৌসের কথায় ষ্পষ্ট বুঝা গেছে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেই সক্রিয় হচ্ছেন। এখন থেকে তার ভক্তরা সিনেমার বাইরে তাকে রাজনীতিতেও দেখবেন। ফুলটাইম রাজনীতিতে সিনেমা জগতের অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রী আছেন। এখানে কয়েকজন ভাল অবস্থান করে নিতে পারলেও কেউ কেউ রয়ে গেছেন দৃষ্টির অগোচরে। তবে সেক্ষেত্রে বলা যেতে পারে ফেরদৌস ব্যতিক্রমই হবেন। কেননা অভিনেতা হিসেবে ফেরদৌসের গ্রহণযোগ্যতা ভক্ত মহলে কোন সময় খুব একটা উঠানামা করেনি। সব সময় ভাল বা সমঅবস্থানে ছিলেন এবং আছেন। এর আগে গেল জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচনীয় প্রচারণায় নেমেছিলেন তিনি। এখন দেখার বিষয় রাজনীতির মাঠে ফেরদৌসকে ঘিরে কি চমক থাকছে।

শনিবার (২০ জুলাই) কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত সম্প্রীতি সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি রাজনীতিতে আসার ঘোষণা দেন। এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদপ্তর ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া। এর বাইরে ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া আর চিত্রনায়ক ফেরদৌস দু’জনই ঘণিষ্ট বন্ধু। তাই সমীকরণ বলছে সবকিছু ঠিকঠাক করেই তিনি মাঠে নেমেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •