মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞাই যথেষ্ট নয়: যুক্তরাষ্ট্রকে জাতিসংঘ দূত

সিবিএন ডেস্ক:
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মিয়ানমারের সেনা কর্মকর্তাদের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে যথেষ্ট মনে করছেন না জাতিসংঘের দূত ইয়াংহি লি। এ সপ্তাহে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রধান মিন অং হলাইংসহ আরও তিন জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের উপর যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ইয়াংহি লি বলছেন, রোহিঙ্গা গণহত্যায় সংশ্লিষ্ট সেনাসদস্যদের বিচারের মুখোমুখি করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা নিপীড়নকে জাতিগত নিধন বললেও গণহত্যার স্বীকৃতি দেয়নি। তবে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা জোরালো হওয়ার পর মিয়ানমারের সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে যুক্তরাষ্ট্র। একই বছর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও রোহিঙ্গা নিপীড়নকে ঘৃণ্য জাতিগত নিধনযজ্ঞ আখ্যা দেন। কাছাকাছি সময়ে রাখাইনে নিধনযজ্ঞের হোতা আখ্যা দিয়ে মং মং সো নামের এক সেনাকর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। ২০১৮ সালের অক্টোবরে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় মিয়ানমারের তিনজন সামরিক কর্মকর্তা ও দুইটি সেনা ব্রিগেডের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। সবশেষ গত মঙ্গলবার দেশটির সেনাবহিনীর শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ওয়াশিংটন।

বৃহস্পতিবার কুয়ালালামপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে লি বলেন, যে সেনাকর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, ‘তারা কখনোই যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে যায়নি……আসুন আরো বাস্তববাদী হই।’

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে তাদের পদক্ষেপ যথাযথ আখ্যা দিয়ে অন্যান্য দেশকেও একই উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তবে সংবাদ সম্মেলনে লি বলেছেন, সেনাপ্রধান মিন অং হলাইং, উপ সেনা প্রধান সোয়ে উইন এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল থান ও এবং অং অং ছাড়াও রোহিঙ্গা নিপীড়ন বিষয়ে ২০১৮ সালে প্রকাশিত জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদনে অন্য যে দুইজন সেনা কর্মকর্তার নাম এসেছে তাদের সবাইকে গণহত্যার অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি করা উচিত।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। সন্ত্রাসবিরোধী শুদ্ধি অভিযানের নামে শুরু হয় নিধনযজ্ঞ। হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হতে থাকে ধারাবাহিকভাবে। জাতিগত নিধনযজ্ঞের ভয়াবহতায় জীবন বাঁচাতে রাখাইন ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয় প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা। আগে থেকে উপস্থিত রোহিঙ্গাদের নিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ১০ লাখে।

সর্বশেষ সংবাদ

শাহ সুফি নুরুল আমিন (রহঃ) চিশতিয়া হেফজখানা ও এতিমখানা পরিচালনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ঈদগাঁও ভাদীতলা-শিয়াপাড়া যাতায়াত সড়কের মরণ দশা: জনদূর্ভোগ চরমে

‘শেখ হাসিনা মানবসেবা ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় নিরলস প্রয়াস চালাচ্ছেন’

এডঃ অনিল বড়ুয়ার মাতার মৃত্যুতে জেলা আইনজীবী সমিতির শোক প্রকাশ

মগনামায় এক কিলোমিটার সড়ক সংস্কারে দুঃখ ঘুচলো হাজার শিক্ষার্থীর

কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার- ৭

লেখালেখিতে আগ্রহী ১০৩ তরুণ-তরুণী

পর্যটন ও শুটিং স্পট বরিশালের ৩০ গোডাউন

প্রেমের টানে বাংলাদেশে ঘর বাঁধলেন ইন্দোনেশিয়ান তরুণী

কমবার সম্পাদক উত্তম পালের মা লক্ষ্মী রাণী পালের পরলোক গমন, শোক

কমতে শুরু করেছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা

প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ সৌদি আরব, অনাহারের হুমকিতে লাখ লাখ ইয়েমেনি

উন্নয়ন ও মুনাফার বলি ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ অ্যামাজন

গণহত্যার স্পষ্ট আলামত, মিয়ানমারকে বিচারের মুখোমুখি করতে তৎপর জাতিসংঘ

কাশ্মিরে একদিকে বিক্ষোভের ঘোষণা, অন্যদিকে কারফিউ জারি

রোহিঙ্গা সমস্যায় মিয়ানমারের দায়বদ্ধতা নিশ্চিতে তিন মেকানিজম

জেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপন

চকরিয়ায় চারদিনব্যাপী জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান শুরু

বাঘাইছড়িতে সেনা টহলগাড়ী লক্ষ্য করে গুলি : পাল্টা গুলিতে সন্ত্রাসী নিহত , ২ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের আশ্বাসে ৩ঘন্টা পর অবরোধ প্রত্যাহার