রিয়াজ উদ্দিন , পেকুয়া :

পেকুয়ায় শিলখালী ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। গত ২ দিনের ব্যবধানে ওই ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। নিন্মাঞ্চল থেকে বন্যার পানির উচ্চতা হ্রাস পেয়েছে। লোকালয়ে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় এ ইউনিয়নে জনজীবনে অনেকটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে। গত কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণে শিলখালী ইউনিয়নসহ পেকুয়ায় বিপুল নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে করে শিলখালী ইউনিয়নে কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছে। শত শত বসতবাড়ি পানির নীচে তলিয়ে যায়। বাড়িঘরে পানি উঠায় ওই ইউনিয়নের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়েছে। বীজতলা ও সবজিক্ষেত পানিতে বিনষ্ট হয়েছে। পাহাড় অঞ্চলে পানের বরজ ও সবজি বাগানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ওই ইউনিয়নের বন্যা পরিস্থিতিতে স্থানীয় অর্থনীতিতে স্থবিরতা পরিলক্ষিত হয়েছে। এ দিকে গত দুই দিনে পেকুয়ায় বৃষ্টি থেমে গেছে। বৃষ্টি না হওয়ায় পেকুয়ার প্রধান নদী মাতামুহুরীতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এ নদীর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানি উচ্চতা হ্রাস পেয়েছে। বিপদসীমার নীচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। মাতামুহুরীর শাখা নদী ভোলা খাল ও কাটাফাঁড়ি নদীতে পানির উচ্চতা কমে গেছে। শিলখালী ইউনিয়নের মাঝেরঘোনা, হাজিরঘোনা, মুন্সিমোড়া, আলীচাঁনমাতবরপাড়া, সবুজপাড়া, পেঠানমাতবরপাড়া, পূর্ব ভারুয়াখালী, কাচারীমোড়া ও জারুলবুনিয়াসহ বিপুল গ্রাম বন্যার পানিতে তলিয়ে যায়। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে এ সব এলাকায় ১৬ জুলাই (মঙ্গলবার) বন্যা পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। ওই দিন আ’লীগের একটি প্রতিনিধি টিম শিলখালীর বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছে। ১৬ জুলাই শিলখালী ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান ওয়ারেচীসহ ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় প্রতিনিধি এ টীম দুপুরের দিকে ওই ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় ওয়ার্ড আ’লীগ, ইউনিয়ন আ’লীগ ও জনপ্রতিনিধিরাও ওয়াহিদুর রহমান ওয়ারেচীর সাথে ছিলেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •