সংবাদদাতা:
রামুর চাকমারকুল মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা সিরাজুল ইসলামসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা, সাজানো ও হয়রানীমূলক মামলা থেকে ৩ জনকে জামিন দিয়েছে রামুর আদালত।
রবিবার (১৪ জুলাই) রামু থানার মামলা নং-২২১/১৯, জিআর মামলা নং-১২/১৯ শুনানি শেষে আদালতের বিচারক হেলাল উদ্দিন তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
মুহতামিম মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ছাড়া জামিনপ্রাপ্ত অপর দুই আসামী হলেন- পশ্চিম চাকমারুল বাসিন্দা মৃত মোজাহেরুল হকের ছেলে সাইফুদ্দিন (৩৮) এবং একই এলাকার মৃত আবু বক্কর ছিদ্দিকের ছেলে আবদুল মালেক (৪০)।
সাইফুদ্দিন চাকমারকুল মাদরাসার পল্লী অডিটর, ইউনিয়নের কাজি। আবদুল মালেক মাদরাসার পরিচালনা পরিষদের সদস্য। আসামীদের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এডভোকেট জসিম উদ্দিন।
গত ১৩ জুলাই রামু থানায় মামলাটি দায়ের করেন বহিস্কৃত শিক্ষক আবদুর রাজ্জাকের ছোট বোন মর্জিয়া সুলতানা। ১ নম্বর আসামী মাওলানা আবদুল গফুর বাদির বড় ভাই এবং চাকমারকুল মাদরাসার শিক্ষক।
চাকমারকুল মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা সিরাজুল ইসলাম জানান, বহিস্কৃত শিক্ষক আবদুর রাজ্জাকসহ একটি বিত্তশালীচক্র পরিকল্পিতভাবে মাদরাসার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। মাদরাসায় হামলা-ভাঙচুর, ক্লাস রুটিন ছিঁড়ে ফেলা, শিক্ষকদের হুমকি ধমকিসহ নানা ধরণের অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে ওই চক্রটি। ইতোপূর্বে সহকারী শিক্ষা পরিচালক মাওলানা নজিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে মামলা করানো হয়েছে। তার ধারাবাহিকতায় সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে বাড়িতে ঢুকে হামলা-শ্লিলতাহানির অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করে।
মাওলানা সিরাজুল ইসলাম আরো জানান, আদৌ এ ধরণের কোন ঘটনা ঘটেছে কিনা স্থানীয়দের কাছ থেকে সাক্ষ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে। মূলতঃ মাদরাসা দখল করতে চিহ্নিত চক্রের সাজানো ‘ছক’ অনুযায়ী এসব মিথ্যা রটনা চালানো হচ্ছে। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করেন মাওলানা সিরাজুল ইসলাম।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •