কক্সবাজারের সাংবাদিকতার যতকথা (পর্ব-দশম)

আজাদ মনসুর:
সাময়িকপত্র চর্চার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম বিনয় ঘোষ। পাঁচখন্ডে রচিত তার ‘সাময়িপত্রে বাংলার সমাজচিত্র’ গ্রন্থে সে কালের সমাজ ও সংস্কৃতির সামগ্রিক চিত্রটি সুন্দরভাবে ধরা পড়েছে। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় পরিবেশিত রচনা থেকেই আহরিত হয়েছে এই বিপুলাকার গ্রন্থের উপাদান। পাঠক, গেল পর্বগুলোর সাথে কিছু পর্বে নতুনত্ব আনার চেষ্টা করছি। কারণ পর্বগুলো থেকে সাধারণ পাঠক ও নতুন সংবাদকর্মীরা কিছু আহার পাচ্ছেন জানি। ধারাবাহিক বয়ানের সাথে যদি আমি যা পড়েছি তা যদি তরুণ সাংবাদিকদের জানার প্রয়োজনে শেয়ার করি কেমন হয়? শেখার কোন শেষ নেই। অনেক সিনিয়র নামধারিকে দেখেছি খবরের বিশেষত্ব সম্পর্কে বুঝেন না। তাই জেনে রাখলে ক্ষতি কি? তাই কক্সবাজারের সাংবাদিকতার যতকথার’র আজকে দশম পর্বটি কিছু ব্যতিক্রম হবে।
আজ পুরো পর্ব জুড়ে থাকবো সাংবাদিকদের শিক্ষণীয় আরও কিছু বিষয় নিয়ে। যা আমার অনেকগুলো পর্বের সাথে মাঝে মাঝে এই ধরণের তরুণ সাংবাদিকদের প্রয়োজনীয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব বলে ভাবছি। এক সময় পড়ছিলাম বিশিষ্ট আবৃত্তি শিল্পী, লেখক ও সাংবাদিক শিমুল পারভীনের ‘বাচিক শিল্পের প্রথম পাঠ’ নামক বইটি। সাংবাদিকতার হাতেখড়ি যখন, এই বইটি চর্চা হয়েছে বেশি। ফলে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সংগঠনের আয়োজনে সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালায় ট্রেইনার হিসেবে নিজেকেও যুক্ত করেছি অনেকবার। মনে পড়ছে একটি সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় যেখানে আমি ট্রেনার সেখানে দাওয়াত করা হয়েছিল আমার অগ্রজ সাংবাদিক জিএএম আশেক উল্লাহকে। আরেকটি কর্মশালায় আমার সাথে ট্রেইনার হিসেবে সাংবাদিক আনছার হোসেন ভাইকেও সাথে পেয়েছিলাম। খুব ভাল লাগতো কোন কিছু শেখাতে পারলে। আইটি বিষয়ে বিভিন্ন সময় বেশ কিছু আইটি ফার্মে ট্রেইনার হিসেবে কাজ করতে করতে কাউকে কিছু শেখাতে পারলেই ভাল লাগে। তাই আজকের পর্বে আপনাদের সাথে যুক্ত হবো নতুন কিছু আইডিয়া নিয়ে। যা সব সাংবাদিকদেরই প্রয়োজনে আসবে বলে আমার বিশ্বাস।
যদি বলি সাংবাদিক বলা হয় কাদের? প্রেস কাউন্সিল এ্যাক্ট-এ সাংবাদিকের একটা সংজ্ঞা দেয়া আছে। এতে বলা হয়েছে :Working journalist means the activity or profession of writing for newspapers, magazines, or news websites or preparing news to be broadcast by a person who is employed as such in, or in relation to, any newspaper establishment and includes an editor, a leader writer, news editor, sub-editor, feature writer, reporter, correspondent, copy tester, cartoonist, news photography, calligraphist and proof reader.

তাহলে স্পষ্টত ধরে নেয়া যায়, সংবাদপত্র অফিসে কর্মরত সম্পাদক, উপ-সম্পাদকীয় লেখক, বার্তা সম্পাদক, সহ-সম্পাদক, ফিচার সম্পাদক, প্রতিবেদক, প্রতিনিধি, লিপিবদ্ধকার, কার্টুনিস্ট, আলোকচিত্রী ও প্রুফ রিডার-সকলেই সাংবাদিক। এঁরা খবরের সন্ধান করেন, খবরের পেছনে ছুঁটেন, খবর নির্বাচন করেন, সম্পাদনা করেন, সংশোধন করেন। সাংবাদিকরা যা করেন, তা হচ্ছে সাংবাদিকতা। অন্যদিকে সাংবাদিকতা হচ্ছে কাজ। এঁদের কাজ হচ্ছে তথ্য সংগ্রহ করা, প্রতিবেদন লেখা এবং সম্পাদনা করা। যদিও স্থানীয় সংবাদপত্রে এতগুলো পদ বহন করেনা।
খবর কাকে বলে যদি বলি- খবর বা সংবাদ-এর নির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা নেই। তবে এক কথায় বলা যায় সংবাদ হলো চলতি ঘটনার বস্তুনিষ্ঠ বিবরণ, যা পাঠকের আগ্রহ উদ্দীপিত করে। New হচ্ছে নতুন আর সেই new -এর বহুবচন হচ্ছে News। এজন্য সংবাদ বিশ্লেষকরা বলেন, News must be new
এবার আসি খবরের বিশেষত্ব নিয়ে- আমাদের মনে রাখতে হবে-যা দেখি, তা খবর; যা জানি, তা প্রেক্ষাপট (Background) এবং যা অনুভব করি, তা মতামত। খবরের যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষত্ব আছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে : সংবাদ কোনো ঘটনা নয়, ঘটনার প্রতিবেদন মাত্র, খবর সাধারণত কোনো নতুন বা সাম্প্রতিক ঘটনার প্রতিবেদন, সংবাদ অবশ্যই নির্ভুল হতে হবে, সংবাদের তথ্যগুলোকে অবশ্যই বস্তুনষ্ঠ হতে হবে, প্রতিটি প্রতিবেদনই হবে নিরপেক্ষ বা ভারসাম্যপূর্ণ ও সংবাদ হতে হবে সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্ট।
খবর সম্পাদনা : খবর যাঁরা সম্পাদনা করেন তাঁদের বলা হয় সহ-সম্পাদক বাSubeditor. Subbing মানে হচ্ছে বিন্যাস, আর editing মানে হচ্ছে সম্পাদনা। তাই খবর সম্পাদনা মানে পরিমার্জন, সংশোধন ও সংযোজন। রিপোর্টারদের বলা হয়ে থাকে রণক্ষেত্রের সৈনিক এবং সহ-সম্পাদকদের বলা হয় সংবাদপত্রের অভিনন্দিত নায়ক (Unseen Hero of Newspaper)।খবর নির্বাচন ও বাতিলের ক্ষেত্রে ‘নিউজ সেন্স’ (সংবাদ জ্ঞান)-ই মুখ্য ব্যাপার। সংবাদ জ্ঞানই সংবাদ মূল্য নির্ধারণ করে।
সাব-এডিটরের কাজ: সাব-এডিটরের তিনটি কাজ। সেই তিনটি কাজ হচ্ছে নাম, সংখ্যা, তথ্য, শব্দ, তারিখ ইত্যাদি নিরীক্ষণ, ভারসাম্য রক্ষা, স্পষ্ট বক্তব্য উপস্থাপন, বাহুল্য বর্জন ও কম কথা অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দেয়া এবং সাবলীল উপস্থাপনা।
সাব-এডিটরের দায়িত্ব: সাব-এডিটরের দায়িত্ব অন্য অনেকের চেয়ে বহু বেশি। তাঁদেরকে বলা হয়ে থাকে Last check post : (শেষ সীমান্ত ফাঁড়ি)। এজন্য সংবাদটি প্রেসে দেয়ার আগে ভালো করে পড়ে নিতে হবে এবং দেখতে হবে-খরবটি সংক্ষিপ্ত ও Compact হয়েছে কিনা; ভুল ও বাহুল্য বর্জন করা হলো কিনা এবং অস্পষ্টতা দূর হয়েছে কিনা। খবরের ভালো Lord cliff বা শিরোনাম দেয়াও সহ-সম্পাদকের দায়িত্ব।
সংবাদপত্রের লক্ষ্য : to inform বলেছেন, ‘অভ্যাস ও কৌতূহলের কারণে মানুষ সংবাদপত্র পড়ে’। এজন্য সংবাদপত্রে কর্মরত সাংবাদিকদের সংবাদপত্রের লক্ষ্য সম্পর্কে সচেতন থাকতে হয়। আমরা জানি পত্রিকার লক্ষ্য তিনটি : ১. অবগত করা ২ বিনোদনের ব্যবস্থা (to recreation) এবং ৩. শিক্ষিত করা (কম educated)। তবে সর্বক্ষেত্রে আমাদের সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণ করে অগ্রসর হতে হয়।
সাংবাদিকতার নীতিমালা: সাংবাদিকতার নীতিমালা তৈরি হয় দেশের মানুষের মূল্যবোধ থেকেই। code of ethics (Ethics of journalism) এ সাংবাদিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে বলা থাকলেও আইনটা কোনো ব্যাপক নয়, দায়িত্ববোধই মূল ব্যাপার। সাংবাদিকের বিবেকই বলে দেবে-কোনটা ছাপবো, কোনটা ছাপবো না। সাংবাদিকদের সব সময় মনে রাখতে হয় সত্যই এ পেশার মানুষের একমাত্র লক্ষ্য বা ধর্ম। তবু নীতিমালায় যেসব বিষয় উল্লেখ আছে, তা এখানে সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরছি। ক. ভাষাকে অবশ্যই শোভনভাবে উপস্থাপন করতে হবে খ. সংবাদ যেন অতিরঞ্জিত না হয় গ. অপরাধীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে হবে ঘ. ‘গুজব’-এর উপর নিউজ তৈরির আগে তা অবশ্যই যাচাই করতে হবে ঙ. কারো ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করা যাবে না। ব্যক্তিটি যদি পাবলিক ফিগার হয়, তাঁর জীবনের নানা বিষয়ে প্রশ্ন করা যাবে চ. অভিযুক্ত ব্যক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে, তাই তাঁর বক্তব্য বা প্রতিবাদ ছাপানোর ব্যবস্থা করতে হবে ছ. আদালতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনপূর্বক অপরাধকে সবসময় নিরুৎসাহিত করতে হবে জ. সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে ঝ. সংবাদের কোনো তথ্য বা বক্তব্য যেন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না করে, সেদিকে নজর রাখতে হবে ঞ. প্রভাবিত হয়ে কিংবা উদ্দেশ্যমূলকভাবে নিউজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে এবং স্ব স্ব পত্রিকার সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করতে হবে।
আমার একটা ধর্ম আছে, যে বিষয়ে হবে হোক কোন ট্রেনিং নিলে প্রশিক্ষকের কথাগুলো পুরোপুরি রেকডিং করতে ভুলি না। প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নোট রাখা এবং ওখান থেকে কোন কাগজ দিলে এগুলোর প্রতি আলাদা যত্ননেয়া আমার কাছে বড় দায়িত্ব হয়ে যায়। কারণ যদি কোনদিন কাগজটি প্রয়োজনে পড়ে। পাঠক আমি এই রকমই।
এবার আসি সম্পাদকীয় নীতি কি : সম্পাদকীয় নীতি বা editorial policy -তে কয়েকটি বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এই বিষয়গুলোর উপর নির্ধারিত হয় সম্পাদকীয় নীতি। যেমন : ১. প্রচলিত আইন : প্রতিটি কর্মরত সাংবাদিককে দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। ২. মালিকের স্বার্থ : মালিকের ব্যবসায়িক স্বার্থ যেন অক্ষুন্ন থাকে সে ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে। ৩. মালিকের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি : মালিকের ব্যবসায়িক স্বার্থের সাথে তাঁর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রাধান্য দিতে হয়। রাজনীতি বিষয়ে তিনি কী মত পোষণ করছেন, সেই মতানুসারে সংবাদের ট্রিটমেন্ট জড়িত। ৪. প্রেসার গ্রুপ : সংবাদপত্রে কাজ করতে গেলে কোনো সময় কোনো না কোনো গ্রুপের প্রেসারে থাকতে হয়। এই গ্রুপের সাথে যথাসাধ্য চেষ্টার মাধ্যমে সমঝোতা বজায় রেখে নিউজ ছাপতে হয়। ৫. পাঠকের চাহিদা : পাঠকই সংবাদপত্রের মূলধন। এদের চাওয়া-পাওয়া, ভাবনা-চিন্তার প্রতি সাংবাদিকদের শ্রদ্ধাশীল হতে হয়। এরা কী চায়-তা বুঝে নিয়ে পত্রিকাকে ওভাবে সাজাতে হয়।
সহ-সম্পাদকের গুণাবলী: ‘সাংবাদিকতার অন্য অর্থ-হচ্ছে সর্ব বিষয়ে ধারণা রাখা’-কথাটি আবুল মোমেনের। রাজনীতি-অর্থনীতি-সংস্কৃতি-সাহিত্য-ক্রীড়া-ভূগোল-ইতিহাস-সব বিষয়ে আগ্রহ থাকা এবং এগুলো দখলে রাখা একজন সাংবাদিকদের জন্য জরুরি ব্যাপার। এই মুহুর্তে মনে পড়ছে সম্ভবত ২০০৫ এর দিকে পিআইবির একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় কোন এক প্রশিক্ষক (নামটি মনে নেই) বলেছিলেন : ‘সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় দরকার sense of responsibility (দায়িত্ব জ্ঞান) সমাজ, দেশ, জাতি ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ মনোভাব থেকে কাজ করতে হবে। আত্মমর্যাদাবোধ ও সততা থাকতে হবে’। ২০০৭ কি ২০০৮ এর তথ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় শুনছিলাম ঠিক এভাবে আমরা সাংবাদিকদের নাকি দ্বিমুখী মন (bifocal mind) থাকতে হবে এবং থাকতে হবে সমানুভূতি (empathy)। অন্যদিকে রফিকুল ইসলাম নাসিম সহ-সম্পাদকদের গুণাবলী সম্পর্কে বলেছিলেন : ক. মানসিক আবেদন, অনুভূতি, রসবোধ, কোনো কোনো বিষয়ে মুক্তবুদ্ধি এবং বিষয়ের গভীরে যাওয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে। খ. সুবিন্যস্ত মনের শৃঙ্খলাবোধ থাকতে হবে। গ. মাত্রাজ্ঞান থাকতে হবে। ঘ. ঠা-া মাথায় পরিস্থিতি সামাল দেয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে ঙ. দ্রুত অথবা নির্ভুল কাজ করতে হবে চ. সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে ছ. পাঠকের দৃষ্টিকোণ থেকে খবর পর্যালোচনা করতে হবে জ. সত্য-মিথ্যা বিবেচনার ক্ষমতা থাকতে হবে ঝ. সংবাদ বিষয়ক আইন ও নীতিমালা সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে এবং ঞ. শারীরিক সুস্থতা থাকতে হবে।
পাঠক আপনাদের কথা দিয়েছিলাম আজকে পর্যন্ত কক্সবাজারের সাংবাদিকতার যতকথার দশম পর্ব। এতগুলো পর্বে কেন শুধু সাংবাদিকদের নিয়ে কথা বলছি এ বিষয়ে মাঝে মধ্যে কোন না কোন পর্বে থাকবে সাংবাদিকদের আশাজাগানিয়া বার্তা। এ ক্ষেত্রে এই গণতন্ত্র ও মানবাধিকার যদি হয় পাশ্চাত্যের অন্ধ অনুসরণ, অনুকরণ ও আনুগত্যের নিরিখে-তাহলে হবে না। এটা আসতে হবে সৎ মানসিকতা থেকে। আমরা যদি ঠিক তাকি বা সম্পাদকীয় নীতি যদি ঠিক থাকে তাহলে নিশ্চিত করে বলা যায়, সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে আনিত যে অভিযোগ তা অনেকাংশেই কমে আসবে। মানুষ আস্থা ফিরে পাবে। আর মানুষের আস্থা ফিরে এলে সংবাদপত্রে কিছু লেখা হলে ‘কিছু হবে না’ এধরনের অভিযোগ আর উঠবে না। সিনিয়র হোক আর জুনিয়র হোক এই বার্তা বা পর্ব থেকে তাঁরা কিছু ধারণ করতে পারবেন। সংবাদপত্র বা সাংবাদিক কোন নীতির উপর ভর করেই চলছে আমি বা আপনি পাঠক হিসেবে কেন শুধু শুধু চিন্তা করবো? জাত ভাই বলে শত বাঁধার মাঝেও এই পর্বগুলো লিখে যাচ্ছি। আমিই জানি লেখাটির জন্য কত মাতামাতি, কত অভিযোগ-অনুযোগ? আজ শেষ পর্বের শেষের দিকে আমার অত্যন্ত কাছের একজন বড় ভাই আমার পিতৃতুল্য সিনিয়র সাংবাদিক আমাকে বরাবরের ন্যায় ফোন করে সাহস যুগিয়েছেন, প্রেরণা দিয়েছেন তোমার সাহসী লেখনি চালিয়ে যাও। ওনার প্রতি অনেক অনেক মমতাময় শুভেচ্ছা ভালবাসা। চলবে…

আজাদ মনসুর (এম.এ, এল.এলবি) শেষবর্ষ
আইটি স্পেশালিষ্ট, প্রণেতা-কক্সবাজার সাংবাদিক কোষ, সভাপতি-কক্সবাজার সাংবাদিক সংসদ (সিএসএস)
[email protected]/০১৮৪৫-৬৯ ৫৯ ১৬

সর্বশেষ সংবাদ

ইয়াবার আগ্রাসন থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে হবে: অধ্যক্ষ হামিদ

উখিয়ায় ইয়াবাসহ আটক-৪ (আপডেট)

চকরিয়ায় শিশু ওয়াসী খুনের মামলার চার্জসিট ৬মাসেও দাখিল হয়নি

চকরিয়ায় এক স্কুল ছাত্র পেকুয়া থেকে ৩দিন ধরে নিখোঁজ

কক্সবাজার পরিবেশ ও মানবাধিকার উন্নয়ন ফোরামের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

কক্সবাজার সিটি কলেজে ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় ও ব্লাড ডোনেটিং ক্যাম্প সম্পন্ন

কক্সবাজার সদর হাসপাতালকে ৫ শ’ শয্যায় উন্নীত করা হবে : স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ

চট্টগ্রামে কলোনীতে আগুন লেগে মা-মেয়ের মৃত্যু

উখিয়ার বিশিষ্ট ঠিকাদার শাকের উদ্দিনের পিতা আর নেই

উখিয়ায় র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ২

লামায় তাজিংডং ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

মহেশখালীতে ছাত্রলীগের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু গোন্ডকাপ ফুটবল টূর্নামেন্ট শুরু

শহর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ভুয়া ও নকল লাইসেন্সধারী টমটম

মেধু বড়ুয়ার পিতার মৃত্যুতে জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের শোক

জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় আটক হলো মাদক ব্যবসায়ী দম্পতি

জেলা ছাত্রদলের শোকজ নোটিশের জবাব দিলেন মোঃ সানাউল্লাহ সেলিম

মাঝ সমুদ্রে পড়ে গেলেন প্রিয়াঙ্কা!

১৫ দিনের ভারী বর্ষণে ৫০ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত, পাহাড়ধস ঠেকাতে ‘সেফ প্লাস’ কর্মসূচি

হাসতে হাসতে ২৫ ছাত্রী অজ্ঞান!

প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৬ টাকায় বিক্রি!