নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
গতরাত থেকে বয়ে চলছে তুমুল বাতাস আর মুষলধারে বৃষ্টি। লন্ডভন্ড হয়ে যাচ্ছে বাড়িঘর গাছপালা, বাড়ির বাউন্ডারি। থেমে থেমে বাড়ছে বাতাসের গতিবিধি। সাগর উত্তাল। বাড়ছে জোয়ারের পানি। তলিয়ে যাচ্ছে আবাদী জমি। চিন্তিত গোটা দ্বীপবাসী। সরকারীভাবে কোন উদ্যোগ নেই দ্বীপ রক্ষার। ভাঙন ধরেছে দ্বীপটির সব পয়েন্ট দিয়ে। লোনা হয়ে যাচ্ছে দ্বীপের প্রায় টিউবওয়েলের মিষ্টি পানি।
একটু একটু করে প্রায় সাগর গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে দ্বীপের একমাত্র গোরস্থান (কবরস্থান) রক্ষার উদ্যোগ নেই।
অযত্ন-অবহেলায় হারিয়ে যাচ্ছে দ্বীপের মুরব্বীদের শতবছর আগের কবর। জিয়ারত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তাদের উত্তরসূরিরা।
বর্তমানে সেন্টমার্টিন দ্বীপের জন্য ৭/৮ নং সংকেত লাগেনা। এখন প্রতি জোয়ারের আগ্রাসনে দ্বীপের ভাঙন তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে।
দ্বীপবাসীর এখন প্রাণের দাবী, প্রতিনিয়ত দুর্যোগ থেকে পরিত্রাণ।
দ্বীপবাসীর পক্ষ থেকে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, এশিয়ার একমাত্র প্রবালদ্বীপ উপজেলার মাননীয় সাংসদ (উখিয়া -টেকনাফের) শাহীন বদী এমপি মহোদয়ের।
মহান সংসদে সেন্টমার্টিন দ্বীপটি রক্ষার জন্যে বরাদ্দ চেয়ে জোর আবেদনের।সেন্টমার্টিন দ্বীপটিকে হারিয়ে যাওয়ার আগে যত্ন নেয়া অতীব জরুরী মনে করছি।

হাবিব খান
সদস্য
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদ
টেকনাফ, কক্সবাজার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •