শাহী কামরান:
কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাংলাবাজার বাকঁখালী ব্রীজে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে!কিছুদিন আগে শুরু হয় ফাটল। ক্রমান্বয়ে ফাটল বাড়ছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি ফাটল দৃশ্যমান হয়েছে। এতে যান চলাচলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে ব্যস্ততম এই ব্রীজটি। ঝুঁকি বাড়ার আগেই ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরণের অঘটনের আশঙ্কা করছেন পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে,মহাসড়ক থেকে কক্সবাজার শহরে প্রবেশের একমাত্র নির্ভরযোগ্য প্রধান মাধ্যম বাঁকখালী ব্রীজটি। বাংলাবাজার পার হয়েই বাকঁখালী নদী পারাপার। বিগত ৩০-৩৫ বছর আগে ছমুদা ব্রীজ নামে বাকঁখালী নদীর উপর ১০৫ মিটারের এই সেতুটি নির্মান করা হয়েছিল। বিগত কয়েক বছর ধরে ফাটল চোখে পড়ে এলাকাবাসীর তখন আকারে ছোট ছিল। সড়ক ও জনপদ বিভাগ রাস্তা মেরামত করতে আসলে ব্রীজের প্রধান ঢালাই এর উপরে ২ ইঞ্চি পিচ ঢালাই দিয়ে কোন রকম ঠিক করে চলে গেলেও প্রতি বছর বর্ষা আসলে ফাটল আবার ভেসে উঠে। মূলত ব্রীজটি অল্প সময়ে ফাটলের প্রধান কারন ওই স্থান একটু নিচু হওয়াই অল্প বৃষ্টিতে পানি জমে। পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেই। বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করলেই ব্রীজে কম্পন শুরু হয় এবং আসতে আসতে ফাটল বড় হতে থাকে।
বিষয়টি সড়ক ও জনপদ বিভাগের চোখে পড়লেও যেন না দেখার ভান করে থাকে। বিগত ৫ বছর ধরে এমন ফাটলে তারা কোন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করেনি।
তাদের অবহেলার কারনেই ফাটল আজ বড় আকার ধারন করেছে। ব্রীজের অবস্থা অনুযায়ী যে কোন সময় পূর্ব পাশ ভেঙ্গে পড়তে পারে।
বিষয়টির ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটলে কক্সবাজার জেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। তাই অতিদ্রুতত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সড়ক বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •