মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

প্রতিজন শুধুমাত্র ১০৩ টাকা ব্যয় করে কক্সবাজার জেলায় ৩৮৬ জন ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় ৬১৯ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। সোমবার ১ জুলাই সকাল ১০ টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে নিয়োগ কমিটির প্রধান ও কক্সবাজারের পুলিশের সুপার এ.বি.এম মাসুদ হোসেন বিপিএম লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ঘোষনা করেন করেন। গত বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ৭৫০ জন প্রার্থী কক্সবাজার শহরের কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজ ও সৈকত বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ লিখিত পরীক্ষা দিয়েছিল। এদের মধ্যে ১৩১ জন অকৃতকার্য হয়েছে। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর একই স্থানে সোমবার সকাল ১১ টা থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। সোমবার বেলা ২ টা পর্যন্ত প্রায় আড়াইশ’ প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলে জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) রেজওয়ান আহমদ সিবিএন-কে জানিয়েছেন।
চলমান মৌখিক পরীক্ষায় টিআরসি নিয়োগ কমিটির চেয়ারম্যান এসপি এ.বি.এম মাসুদ হোসেন বিপিএম, পুলিশ সদর দপ্তরের একজন এসপি, একজন এডিশনাল এসপি, ভিন্ন জেলার দু’জন এডিশনাল এসপি, চকরিয়া সার্কেলের সিনিয়র এএসপি কাজী মতিউল হক, মহেশখালী সার্কেলের এএসপি সহ নিয়োগ কমিটি সকল সদস্য উপস্থিত রয়েছেন। এদিকে, এসপি এ.বি.এম মাসুদ হোসেন বিপিএম আবারো দৃঢ়তার সাথে সিবিএন-কে বলেছেন- প্রতিযোগিতামূলক, সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ, নিয়োগের নীতিমালা অনুসরণ করে সকল চাপমুক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে অপেক্ষাকৃত যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীদের নিয়োগ দেয়া সম্ভব হবে ইনশাল্লাহ। এতে পুলিশ বাহিনী যোগ্য ও মেধাবীদের নিয়ে আরো সমৃদ্ধ হবে। অন্যদিকে, আইনশৃঙ্খলা সুরক্ষায় রাষ্ট্র মেধাবী, দক্ষ ও যোগ্য সদস্য পাবে। সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত নিয়োগ এ প্রক্রিয়া চলছে। নিয়োগের যেকোন স্থরে কোন ঘুষ, প্রতারণা করে অথবা দালালের মাধ্যমে টাকা দিয়ে টিআরসি নিয়োগের প্রমাণ পেলে সাথে সাথে সে নিয়োগ বাতিল করা হবে এবং দালাল ও প্রার্থীদের কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে। তাই প্রার্থীদের দালাল ও প্রতারকদের কাছ থেকে সতর্ক থাকার জন্য এসপি এ.বি.এম মাসুদ হোসেন বিপিএম আবারো সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •