জাহাঙ্গীর আলম কাজল:
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের দুর্গম জনপদের অসহায় ঝরেপড়া শিক্ষার্থী দের একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল ইহসান কিন্ডার গার্টেন একাডেমীর রাস্তা বন্ধ করে সরকারি রাস্তা নির্মান হওয়ায় চরমে দূরর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

গত কিছুদিন যাবত নতুন করে সরকারি ভাবে রাস্তা নির্মান হওয়ায় একাডেমীতে যাবার পথটি পুরোপুরিভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা হামাগুড়ি দিয়ে রাস্তা পার হতে হয়।
সরজমিনে দেখাযায় ইউনিয়নের বটতলী বাজার সংলগ্ন গর্জন ছড়ার পাশে জামে মসজিদসহ একাডেমীর অবস্থান। ছড়ার উপর ব্রীজ নির্মাণ করায় নতুন করে রাস্তাটি তৈরী হয়। এতে মসজিদ ও একাডেমীর চলাচল পথ বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং প্রতিষ্ঠান থেকে রাস্তা অনেক উচু হওয়ার ফলে শিক্ষার্থী ও মুসল্লীদের যাতায়তে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
একাডেমীর প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) সাজেদা আক্তার জানান পথ বন্দ হওয়ায় গত কয়েকদিনে অনেক ছাত্র ছাত্রী আহত হয়েছে। তিনি এখন শংকিত।কারন সকলেই শিশু।
সভাপতি বাবুল হোসেন জানান রাস্তাটি বন্দ হওয়ার ফলে অভিভাবকেরা তাদের সন্তান নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। তিনি বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য সহ কমিটিকে জানানো হয়েছে।
দুর্গম জনপদের প্রতিষ্ঠানটি ২০১২ইং তে প্রতিষ্টার পর থেকে সুনামের সাথে দক্ষ পরিচালনা কমিটি ও অভিজ্ঞ শিক্ষিক শিক্ষিকা দারা পাঠ দিয়ে যাচ্ছে। প্রতি বছর সমাপনি পরিক্ষায় শতভাগ পাশ সহ ভাল ফলা ফল অর্জন এবং খেলাধুলা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এ প্রতিষ্ঠানটি এগিয়ে রয়েছেন বলে জানালেন সিনিয়র শিক্ষক আবদুল মাবুদ। প্রায় পৌনে দুই শতাদিক ছাত্র ছাত্রী রয়েছে। বাংলা শিক্ষার পাশা পাশি রয়েছে ধর্মীয় শিক্ষা ও।
বটতলী বাজার সভাপতি বেলাল উদ্দিন জানান প্রত্যন্ত এলাকায় প্রতিষ্ঠান টি শিশুদের জন্য অনেক গুরুত্ববহন করে। বর্তমানে পথটি নির্মানের জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুর রহিম বলেন তিনি কমিটির পক্ষ থেকে মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার পর সরজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী তোফাজ্জল হোসেন ভূইয়ার সাথে মুঠোফোন এ কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি তাহার নলেজে রয়েছেন। অবশ্যই শিক্ষার্থী ও মুসল্লি দের জন্য রাস্তার ব্যবস্থা সহ পাকা সিড়ি নির্মানের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।
একাডেমী পরিচালনা কমিটি ও মসজিদ কমিটির সদস্য এবং স্থানীয়রা যাতায়তের পথটি নির্মানের দাবী জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •