মোঃ নিজাম উদ্দিন, চকরিয়া:
সাগর পথে মালয়শিয়া পাচার করতে গিয়ে চকরিয়ায় উদ্ধার করা হয়েছে শিশুসহ ৮ রোহিঙ্গা। মঙ্গলবার রাতে চকরিয়া পৌরসভার করাইয়া ঘোনায় দালাল আলমগীরের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এসময় জড়িত দালালসহ বাড়ির সদস্যরা পালিয়ে গেলেও উদ্ধার করা হয়েছে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের শিশুসহ ৮ নারী।
তাদের সর্বস্ব হাতিয়ে নিয়ে দালালের বাড়িতে দুদিন ধরে আটক রাখে বলে জানা গেছে। উদ্ধারকৃত রোহিঙ্গারা হলেন আমান উল্লাহর কন্যা মিনারা বেগম (১৯), ইলিয়াছের কন্যা শাহজাহান বেগম (১৫), হামিদ হোসেনের কন্যা রমিজা বেগম (১৭), সালেহ আহমদের কন্যা উম্মে কুলসুম (১৫), জামাল হোসেনের কন্যা সানজিদা (১৭), হালিমুল্লাহর স্ত্রী নেছারু বেগম (৩৪)সহ তার দুই শিশু কন্যা সামিয়া (৬) ও নফিসা (৫)।
চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এস.এম আতিক উল্লাহ জানান, মালয়েশিয়ায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ফুসলিয়ে এসব রোহিঙ্গাকে চকরিয়ায় নিয়ে আসার ঘটনায় জড়িত রয়েছে তিন দালাল। তাদের নামও জানিয়েছে উদ্ধারকৃতরা। এমনকি তাদের দুদিন ধরে জিম্মি করে সর্বস্ব হাতিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করেন এসব রোহিঙ্গা।
এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার ওসি মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, ‘কুতুপালং শরণার্থী শিবির থেকে রেজিষ্ট্রেশনভুক্ত এসব রোহিঙ্গা নারীকে অন্যত্র পাচার করতেই এখানে নিয়ে আসা হয়েছিল। যেসব দালাল এ ঘটনায় জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়া হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধারকৃত রোহিঙ্গা নারীদের ফের শরণার্থী শিবিরে প্রেরণ করা হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •