রোহিঙ্গা নির্যাতন : মিয়ানমার সরকারের বিচারে আইসিসি’র তদন্ত কমিটি গঠন

মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)
মিয়ানমারে সহিংসতা থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন নিয়ে তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। এর ফলে রোহিঙ্গা সংকটে পূর্ণ তদন্ত শুরু করতে আরও একধাপ এগিয়ে গেলো সংস্থাটি। এই তদন্ত শুরু হলে এটাই হবে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে প্রথম আন্তর্জাতিক তদন্ত।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের একাধিক প্রসিকিউটর বুধবার ২৬ জুন সিবিএন-কে এ তথ্য জানান।
মিয়ানমার সেই মুষ্টিমেয় দেশগুলোর একটি, যারা আইসিসি সনদে স্বাক্ষর করেনি। তাই সরাসরি মিয়ানমারের বিচারের এখতিয়ার আইসিসির নেই। এই অবস্থানে দাঁড়িয়ে শুরু থেকেই তারা আইসিসির বিচারিক এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছে। তবে আইসিসি মনে করছে, মিয়ানমার এই আদালতের সদস্য না হলেও বাংলাদেশ অন্যতম সদস্য দেশ। তাই এ ঘটনার বিচার করার এখতিয়ার আদালতের রয়েছে। কারণ আন্তঃসীমান্ত অনুপ্রবেশের ধরনের জন্যই এই বিচার সম্ভব। তাই এক প্রসিকিউটরের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৬ সেপ্টেম্বর নেদারল্যান্ডসের হেগে সংস্থাটির তিনজন বিচারক বিশিষ্ট প্রি-ট্রায়াল কোর্ট বিচারের পক্ষে রায় দেন। আদালত বলেছে, মিয়ানমার এই আদালতের সদস্য না হলেও বাংলাদেশ অন্যতম সদস্য দেশ। তাই এ ঘটনার বিচার করার এখতিয়ার আদালতের রয়েছে। কারণ আন্তঃসীমান্ত অনুপ্রবেশের ধরনের জন্যই এই বিচার সম্ভব।
২০১৮ সালে একটি প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে আইসিসি। প্রসিকিউটর জানান, তিনি পূর্ণ তদন্ত কমিটি গঠন করার জন্য আবেদন করবেন। আইসিসির সদস্য দেশ বাংলাদেশে তদন্তের ‘অন্তত একটি আলামত’ নিয়ে তদন্তের জন্য বিচারকদের কাছে অনুমতি চাইবেন। প্রসিকিউটর আরো বলেন, এই তদন্তের আওতায় যেখানে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে সেই স্থান অর্থাৎ মিয়ানমারের রাখাইনও থাকবে। এর প্রেক্ষিতে আইসিসি জানায়, তারা ইতোমধ্যে তিনজনের বিচারক প্যানেল তৈরি করেছেন। এই তদন্ত শুরু হলে আইসিসিই হবে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে প্রথম আন্তর্জাতিক তদন্ত।
২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে কথিত হামলার পর পূর্বপরিকল্পিত ও কাঠামোগত সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ১১ লাখেরও বেশি মানুষ। জাতিগত নিধনের ভয়াবহ বাস্তবতায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বড় অংশটি বাংলাদেশে পালিয়ে এলেও জাতিসংঘের হিসাবে ৪ লাখেরও বেশি মানুষ এখনও সেখানে থেকে গেছে। জাতিসংঘ এই সামরিক অভিযানকে ‘জাতিগত নিধনযজ্ঞ’ বলে আখ্যা দেয়।

সর্বশেষ সংবাদ

ধর্মীয় নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্য নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব ডিসি সম্মেলনে

ইবোলা সংক্রমণ : বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা

আদালতের প্রশ্নেরও সদুত্তর দিতে পারেননি মিন্নি

কক্সবাজারের সাংবাদিকতার যতকথা (পর্ব-১২)

সৌদিআরবে শাহজাহান চৌধুরীর জন্মদিন পালন

হিন্দু কলেজ ছাত্রীকে কোরান বিলির নির্দেশ ভারতের আদালতের

মিন্নির পাশে কেউ নেই! পুলিশ সুপারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

রুবেল মিয়ার মেজ ভাইয়ের মৃত্যুতে সদর ছাত্রদলের শোক প্রকাশ

হালদা দূষণের অপরাধে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রাখার নির্দেশ : জরিমানা ২০ লাখ টাকা

তরুণ সাংবাদিক হাফিজের জন্মদিন আজ

চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদী’র বরাদ্দ থেকে ১৫০০ পরিবারে চাউল বিতরণ

কলেজ আমার কাছে দ্বিতীয় পরিবার

রামু উপজেলা ছাত্রদল যুগ্ম আহবায়ক সানাউল্লাহ সেলিম কে শোকজ

No more than 2500 Easy Bikes in the city, Acting D.c Ashraf

An awaiting repatriation

25 elites relate to Yaba, SP Masud Hussain

উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই : সড়ক বিভাগের জমিতেই নান্দনিক ৪ লেন সড়ক

কক্সবাজারে এইচএসসিতে পাসের হার ৫৪.৩৯%

নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করতে পারেন কাদের

ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করবেন যেভাবে