আষাঢ়েও বৃষ্টি নেই, পানি সংকটে কৃষিজমি ও খেত খামার

শাহীন মাহমুদ রাসেলঃ
জ্যেষ্ঠ মাস শেষ, আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি চলছে৷ আকাশে উড়ছে শুধু মেঘ আর মেঘ৷ কিন্তু বৃষ্টি নেই কৃষকের চাহিদামত৷ আষাঢ় মাসের মাঝামাঝিতেও প্রয়োজনীয় বৃষ্টি না থাকায় আমন চাষীরা তাদের ফসল চাষে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন৷ কিন্তু প্রতিদিনের আকাশে মেঘের ভেলা উড়লেও চাহিদামত বৃষ্টিপাত না থাকায় আমন ফসল নিয়ে চাষীদের মাঝে সংশয় দেখা দিয়েছে৷

প্রকৃতির এমন বিরুপ আচরণের ফলে আমন চাষাবাদের ভরা মৌসুমেও কৃষকরা ধানের চারা রোপন করতে পারছেন না। অনেক কৃষক আগাম আবাদের জন্য বীজতলা চারা প্রস্তুত করলেও সেই চারা বীজতলাতেই নষ্ট হতে বসেছে। তবে কেউ কেউ শ্যালো মেশিনের মাধ্যমে সেচ দিয়ে আমনের চারা রোপন করছেন। অন্যদিকে কাজ কামের সংকটে পড়েছে কৃষি শ্রমিকরা। বসে বসে সময় পার করছেন তারা। জমানো টাকা খরচ করে টানাটানির মধ্যে তাদের সংসার চলছে।

ক’দিনের টানা তাপপ্রবাহ। কখনো কখনো এক ফসলা বৃষ্টি। রাতভর গুমোট গরমের পর সকালে কক্সবাজারসহ আশেপাশের এলাকায় কিছুটা নেমেছে বৃষ্টি। বর্ষার প্রথম বৃষ্টিতে তাই কিছুটা স্বস্তি মিলেছিলো কৃষকের। এখন আর বৃষ্টির দেখা নেই।

চলতি মৌসুমে কক্সবাজার জেলায় ৮১ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্য ঠিক করে জেলা কৃষি বিভাগ। মৌসুম শেষ হয়ে এলেও বৃষ্টির অভাবে এখনো প্রায় ৭০ হাজার হেক্টর জমিতে চারা রোপন সম্ভব হয়নি।

কক্সবাজারেও বৃষ্টির অভাবে সময়মতো উচ্চফলনশীল ও উপশী জাতের ধান চাষ করতে কৃষকরা সেচ ব্যবহার করছে। এতে প্রতিবিঘা জমিতে সেচ বাবদ প্রায় দেড় হাজার টাকা বাড়তি খরচ হচ্ছে।

কৃষকরা জানিয়েছেন, জেলায় সাধারণত মধ্য আষাঢ় থেকে শুরু করে শ্রাবন মাস পর্যন্ত আমন ধানের চারা জমিতে রোপন করা হয়। কিন্তু এবার তেমন বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কৃষকরা আমন চাষাবাদ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। মূলত বর্ষাকালে বৃষ্টিতে জমে থাকা পানিতে কৃষকরা প্রকৃতিনির্ভর রোপা আমন চাষ করে থাকে। কিন্তু এবার আষাঢ়ের শুরু থেকেই প্রায় বৃষ্টিহীন এই অঞ্চল। মাঝে মধ্যে হালকা বৃষ্টিপাত হলেও সেই পানি জমিতে লেগে থাকেনি। এতে করে অপেক্ষাকৃত উঁচু জমিতে পানি না জমায় সেই জমি এখনও পতিত পড়ে আছে। সময়মতো বৃষ্টিপাত না হওয়ায় অনেকের বীজতলাও নষ্ট হয়ে গেছে। কারো কারো বীজতলায় চারা তৈরি থাকলেও পানির অভাবে সেই চারা জমিতে লাগাতে পারছে না।

সাধারণত বীজতলায় তৈরী হওয়া চারা ২৫-৩০ দিনের মধ্যে জমিতে লাগানো হয়। কিন্তু অনেক কৃষকের চারার বয়স দেড় মাস পেরিয়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে অনেকেই অতিরিক্ত খরচ করে শ্যালো মেশিন দিয়ে জমিতে পানি দিয়ে চারা লাগানোর কাজ শুরু করেছেন। অন্যদিকে আগাছা প্রতিরোধের জন্য আমন ক্ষেতে ৪ ইঞ্চি পানি ধরে রাখতে হচ্ছে। এসব কারণে কৃষকের খরচ হচ্ছে দ্বিগুণ। কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া এলাকার কৃষক আব্দুর রহমান ও সামসুল আলম জানান, খরার জন্য আমনের চারা মরে গেছে। এখন আবারও আমন চারা কিনে রোপন করতে হবে। বর্তমানে স্যালো মেশিন দিয়ে রোপন করা চারা বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছি। শ্যালো মেশিন দিয়ে আমন চাষাবাদ করতে হলে খরচ হবে দ্বিগুণ। কৃষকের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে যাবে। এদিকে বৃষ্টিপাত না হলে খরায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি রোপা আমনের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ সংবাদ

হিন্দু কলেজ ছাত্রীকে কোরান বিলির নির্দেশ ভারতের আদালতের

মিন্নির পাশে কেউ নেই! পুলিশ সুপারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

রুবেল মিয়ার মেজ ভাইয়ের মৃত্যুতে সদর ছাত্রদলের শোক প্রকাশ

হালদা দূষণের অপরাধে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রাখার নির্দেশ : জরিমানা ২০ লাখ টাকা

তরুণ সাংবাদিক হাফিজের শুভ জন্মদিন আজ

চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদী’র বরাদ্দ থেকে ১৫০০ পরিবারে চাউল বিতরণ

কলেজ আমার কাছে দ্বিতীয় পরিবার

রামু উপজেলা ছাত্রদল যুগ্ম আহবায়ক সানাউল্লাহ সেলিম কে শোকজ

No more than 2500 Easy Bikes in the city, Acting D.c Ashraf

An awaiting repatriation

25 elites relate to Yaba, SP Masud Hussain

উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই : সড়ক বিভাগের জমিতেই নান্দনিক ৪ লেন সড়ক

কক্সবাজারে এইচএসসিতে পাসের হার ৫৪.৩৯%

নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করতে পারেন কাদের

ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করবেন যেভাবে

নিমিষেই এনআইডি যাচাই করবে ‘পরিচয়’

মনের শক্তিতে জিপিএ-৫ পেলো পটিয়ার সাইফুদ্দিন রাফি

হজে এবার ৮০০ কোটির ওপরে আয় করবে বিমান

ধর্মীয় নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্য নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব ডিসি সম্মেলনে

ওসি খায়েরের চ্যালেঞ্জ ছিল রোহিঙ্গা, মনসুরের চ্যালেঞ্জ ইয়াবা