বিশেষ প্রতিবেদক:
সরকারী ফান্ডে মাত্র ১০৩ টাকা জমা দিয়ে পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া আজ।
সারাদেশের মতো বুধবার (২৬ জুন) সকাল ৮ টা থেকে কক্সবাজার পুলিশ লাইনস মাঠে নিয়োগ প্রত্যাশীদের বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
শারীরিক পরিমাপ ও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আগামী ২৭ জুন বিকেল ৩টায় কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
১ জুলাই সকাল ১০ টায় পুলিশ লাইনে লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হবে।
২ জুলাই বিকেল ৫ টায় পুলিশ লাইনে মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
এ নিয়োগে যে কোনো অনিয়ম, তদবির ও আর্থিক লেনদেন ঠেকাতে দেশের ৬৪ জেলার জন্য ৬৪টি তদারকি টিম করেছে পুলিশ সদর দফতর। এবার নিয়োগে তদবির-বাণিজ্য ঠেকাতে প্রতিটি রেঞ্জের ডিআইজি ও এসপিদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আইজিপি। পাশাপাশি তদারকি কমিটিকে জড়িতদের তাৎক্ষণিক গ্রেফতারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করে জেলা পুলিশ।
পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেছেন- পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন বা অবৈধ পন্থা অবলম্বন করলে নিয়োগ বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন ঘোষণা দিয়েছেন- মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ করা হবে। বিনা ঘুষে কনস্টেবল পদে সরকার নির্ধারিত ১০৩ টাকায় চাকরি পাওয়া যাবে। ইতিমধ্যে তদবিরবাজ, দালাল ও প্রতারক চক্র এড়াতে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত ২৫ মে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে ৯ হাজার ৬৮০ জন ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে ৬ হাজার ৮০০ জন পুরুষ ও ২ হাজার ৮৮০ জন নারী। এই নিয়োগে কক্সবাজার জেলায় বিশেষ কোটায় ২৯৫ পুরুষ ও ৫৪ নারী, নতুন পদে ৩১ পুরুষ ও ৬ নারীকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এসব পরিক্ষায় অনিয়ম ঠেকাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জেলায় একটি টিম গঠন করে দেয়া হয়েছে। ওই টিমের প্রধান হচ্ছেন জেলা পুলিশ সুপার। তা ছাড়া অনিয়ম এড়াতে প্রতিটি জেলায় আইজিপির নিজস্ব গোয়েন্দা টিমও কাজ করছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •