প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ ফিস্টুলা চিকিৎসা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হোপ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগকে ফিস্টুলামুক্ত করার প্রকল্পের জন্য মনোনিত হয়েছে। সরকারের বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে পুরো চট্টগ্রাম বিভাগের সব জেলায় একমাত্র হোপ ফাউন্ডেশন এই দায়িত্ব পেলো। জাতিসংঘের সহযোগি সংস্থা ইউএনপিএর সহযোগিতায় ও বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের তত্ত্বাবধানের এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। মনোনিত হয়ে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। প্রকল্প কার্যক্রম উদ্বোধন উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৫ জুন) ব্র্যাক বিভাগের লার্নিং সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রসাশন) ড. নাসিমা সুলতানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন- স্বাস্থ্য বিভাগের চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-পরিচালক আবদুস সালাম, সহকারী পরিচালক ডা. শফিকুল ইসলাম, ইউএনপিএ’র স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ডা. সাতিয়া দরস্সামী, হোপ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট ডা. ইফতিখার মাহমুদ মিনার, ওজিএসবি প্রেসিডেন্ট শামীমা ছিদ্দিকা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন- চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান।

এতে উপস্থিত ছিলেন- ইউএনপিএ’র প্রোগ্রাম এনালিস্ট শামসুজ্জামান, হোপ ফাউন্ডেশনের সার্জন বিভাগের প্রধান ডা, নিন্ময় বিশ্বাস, ইউএনপিএ’র কর্মকর্তা ডা. অনিমেষ বিশ্বাস ও হোপ ফাউন্ডেশনের ফিস্টুলা বিভাগের প্রধান আজমুল হুদাসহ ইউএনপিএ ও হোপ ফাউন্ডেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন- হোপ ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর কেএম জাহিদুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, ‘অতীতের কাজের সফলতার প্রমাণ স্বরূপ ফিস্টুলামুক্ত প্রকল্প বাস্তবায়নে হোপ ফাউন্ডেশনকে মনোনিত করা হয়েছে। আমরা প্রত্যাশা করি অতীতের মতো নিষ্ঠার সাথে কাজ করে হোপ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগকে ফিস্টুলামুক্ত করতে পারবে।’

বিশেষ অতিথি আবদুস সালাম বলেন- ‘হোপ ফাউন্ডেশনের বিগত ২০ বছরের কাজের সফলতার বিষয়টি আমার মোটামুটি জানা আছে। সে অভিজ্ঞতা ও অগ্রগতির ধারা মতে এই এই প্রকল্পও সফলভাবে বাস্তবায়ন করে চট্টগ্রাম বিভাগকে ফিস্টুলামুক্ত করতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এক্ষেত্রে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করবো।’

বিশেষ অতিথি সাতিয়া দরস্সামী বলেন- ‘আমরা অনেক আগে থেকে হোপ ফাউন্ডেশনের সাথে কাজ করে আসছি। তারা প্রতিটি প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছে। সেই ধারা থেকে এই প্রকল্পের জন্যও এই সংস্থাটিকে প্রকল্পটি দিতে আমরা সম্মতি দিয়েছি। তাই অতীতের সেই ধারা অব্যাহত রেখে এই প্রকল্প সুচারুরূপে বাস্তবায়ন করার প্রত্যাশা রাখি।’

ডা. ইফতিখার মাহমুদ মিনার বলেন- ‘২০১১ সাল থেকে আমরা ফিস্টুলা নিয়ে কাজ করে আসছি। এই সময়ে সফলতার কাজ করে আমরা কক্সবাজার জেলাকে প্রায় ফিস্টুলা মুক্ত করেছি। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আমরা আগামী ১০ বছরে মধ্যে পুরো চট্টগ্রাম বিভাগকে ফিস্টুলামুক্ত করতে পারবো ইনশাল্লাহ।’

দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের দীর্ঘ এক দলীয় কার্যপর্যালোচনায় অংশ নেন অতিথি ও উপস্থিতরা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •