রামুতে খুতবায় মাদকের বিরুদ্ধে বলায় খতিবকে প্রাণনাশের হুমকি শিরোনামে গত ২১ জুন কক্সবাজার নিউজ ডট কম, স্থানীয় কিছু পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে ২১ জুন শুক্রবার রামু কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের ফুলনিরচর জামে মসজিদে নামাজের খুতবায় খতিব মাওলানা মোবারক হোসেন মাদকের বিরুদ্ধেে কথা বলায় দলবল নিয়ে দেশিয় অস্ত্র নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে
এবং মুঠোফোনে ভেঙে পেলেন মাদক ব্যবসায়ী। সংবাদে কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হক যে বক্তব্য দিয়েছেন তা আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে যা সম্পুর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি একজন মৎস্য ব্যবসায়ী। কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের লট উখিয়ারঘোনা ঝর্নাঘোনা এলাকায় হীরা মুক্তা মৎস্য খামারের নামে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ৬ টি মাছের প্রজেক্টে মাছ চাষ করে এবং বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ বাগান করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকি,এবং এই প্রজেক্ট ও বাগান দেখা শুনা করার জন্য আমি বসবাস করি খামার বাড়িতে। ২১ ই জুন খামার বাড়ির পাশে ঝর্না ঘোনা জামে মসজিদে আমি জুমার নামাজ আদায় করছি যে যাহা মসজিদের ঈমাম হাফেজ রমজুল ইসলাম, মজিদের মুসল্লী ও এলাকাবাসী দেখে ও জানে। আমার খামার বাড়ির থেকে ফুলনিরচরের দুরত্ব প্রায় ৪ কিলোমিটার,তাহলে ঘটনার দিন আমি জুমার নামাজের সময় ফুলনিরচর কিভাবে গেলাম,ফুলনিরচর মসজিদে কোন ঘটনায় ঘটেনি, মাওলানা মোবারক হোছেন একজন মসজিদের খতিব হয়ে কি ভাবে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে তা আমার জানা নাই। আসল কথা হল সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হক আমাদের মামা। আমার মাছের প্রজেক্টের পাশে আমার পিতা বীর মুক্তিযুদ্ধা মোজাফফর আহাম্মদের নামে খতিয়ান ভুক্ত ৬০ শতক দখলিয় জায়গা সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হক দখল করার জন্য জোরপূর্বক চেষ্টা করে তাদে আমরা বাধা দি, মাওলানা মোবারক হোছেন হল নুরুল হকের চেয়ারম্যানের ডানহাত,
তাই আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে মাওলানা মোবারক হোছেনকে ব্যবহার করে সামাজিক ও রাজনৈতিক পারিবারিক ভাবে মান সম্মান খুন্ন করা এবং ব্যবসায়িক ভাবে ক্ষতি করার জন্য সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমি এবং আমার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হক। উক্ত মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার সকল কে অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারি
সাঈদুল ইসলাম রুমেল
পিতা বীর মুক্তি যুদ্ধা মোজাফফর আহাম্মদ
ফুলিনরচর কাউয়ারখোপ রামু

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •