গত ১৭ জুন কক্সবাজারের কয়েকটি স্থানীয় দৈনিক ও অনলাইনে ‘ভারুয়াখালীতে মিজানুর রহমান বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ট এলাকাবাসী, প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
উক্ত সংবাদ সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। বায়বীয় ও কাল্পনিক সংবাদের মাধ্যমে একটি পক্ষ শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা করেছে।
সংবাদে আমার নেতৃত্বে যে সন্ত্রাসী বাহিনীর অভিযোগ আনা হয়েছে, তা একেবারে হাস্যকর ও নিন্দনীয়। আমার চালচলন, আচার-ব্যবহার ও সামাজিক অবস্থান এলাকার সব শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে স্পষ্ট।
আমি চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি, সংবাদে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে- তার কোন প্রমাণ কারো কাছে সংরক্ষিত থাকলে নিয়ে আসুন। আমি দেশের প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি মাথা পেতে নিব। আমি এতই অপরাধী হলে আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ বা মামলা নেই কেন? মূলতঃ আমাদের পারিবারিক একটি প্রতিপক্ষ এসব মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে।
এখানে একটি বিষয় উল্লেখ করা দরকার, আমার পিতা মরহুম নজির হোসেন আমাদের বানিয়াপাড়ার বাসিন্দা মরহুম নজরুল ইসলামের কাছ থেকে ১৯৮৮ সালে ৩২ হাজার টাকায় ১৮ শতক জমি ক্রয় করেছিলেন। ওই সময় থেকে অদ্যাবধি আমরা উক্ত জমিতে ভোগ দখলে রয়েছি। সম্প্রতি জমির রেজিস্ট্রি দেওয়ার জন্য বললে বিক্রেতা মরহুম নজরুল ইসলামের ওয়ারিশরা ৫ লাখ টাকা দাবি করে।
বিভিন্ন সূত্র মারফত জানতে পেরেছি, দাবিকৃত চাঁদার টাকা না দেয়ায় মরহুম নজরুল ইসলামের ওয়ারিশরাই মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে। সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও সংশ্লিষ্ট মহলকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

মিজানুর রহমান
পিতা- মৃত নাজির হোসেন
বানিয়াপাড়া, ভারুয়াখালি, সদর, কক্সবাজার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •