দৈনিক আলোকিত উখিয়া পত্রিকায় ২০ জুন (বৃহস্পতিবার) ‘এখনো অধরা আদর্শগ্রামের বাচ্চু, বীচ বাইক চালক থেকে ইয়াবা সম্রাট ’ শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এবং সংবাদে উল্লেখিত তথ্যগুলো উদ্ভট এবং কাল্পনিক। যা বাস্তবতার সাথে কোন মিল নেই।
আলোকিত উখিয়া নামক পত্রিকায় আমাকে ইয়াবা ব্যবসায়ী দাবী করে ছবিসহ বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করে মারাত্মকভাবে সম্মানহানি করা হয়েছে। সংবাদে দাবী করা হয়েছে জনৈক আলমগীরের সাথে সিন্ডিকেট করে আমি ইয়াবা ব্যবসা করি। এবং অনেক বার পুলিশ আটক করেছে বলেও দাবী করা হয়। কিন্তু এসব তথ্যের বিন্দু পরিমাণও সত্য নয়। জনৈক আলমগীরের সাথে ইয়াবা ব্যবসা বা পুলিশ আমাকে কখনোই আটক করেনি। মূলত আমার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল ষড়যন্ত্র করেছে। আর আলোকিত উখিয়া নামের ওই পত্রিকার কথিত সাংবাদিকও সত্য-মিথ্যা যাচাই না করে উদ্ভট সংবাদ প্রকাশ করে বিকৃত মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।
প্রকৃতপক্ষে আমি ছোটবেলা থেকেই সমুদ্রসৈকতে সংগ্রাম করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। ২০০১ সালের দিকে আমি কপি বিক্রি করতাম। এরপর ২০০৫ সালের দিকে আমার মা আমাকে নানার বাড়ির সম্পত্তি বিক্রির টাকায় একটি বীচ বাইক কিনে দেয়। ওই বীচ বাইক দিয়েই জীবন সংগ্রাম চলে আমার। এরইমধ্যে ২০১১ সালে সমুদ্রসৈকতে সৌদি প্রবাসী এক নারীর সাথে আমার পরিচয় হয়। ওই নারী তার প্রবাসী স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে আমার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। দীর্ঘদিন সৌদি আরব থাকার সুবাধে আমার স্ত্রী ছিল ধনাঢ্য। এখনো সৌদি আরবে তার মালিকাধীন দোকান রয়েছে। যেটি তার ভাইয়েরা দেখাশুনা করে। প্রতিমাসে বিপুল পরিমাণ টাকা আসে সৌদি থেকে। বিয়ের পর ব্যবসা করার জন্য বিভিন্ন সময় আমাকে বিপুল পরিমাণ টাকা দিয়েছে আমার স্ত্রী। মূলত বাড়ি বা বাইক সবকিছুই আমার স্ত্রীর টাকায় করেছি। এখানে বস্তুতপক্ষে আমার তেমন কোন অর্থকড়ি নেই। কিন্তু আলোকিত উখিয়ার ওই কথিত সাংবাদিক আমাকে জড়িয়ে নানা ধরণের মিথ্যাচারের ফুলঝুড়ি উপস্থাপন করেছে। সরেজমিন তদন্ত করলে আমার সম্পর্কে যেকেউ সঠিক ধারণা পেয়ে যাবেন। এই মিথ্যা সংবাদে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
অহেতুক মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে আমার যে মানহানি করা হয়েছে তা কখনো পূরণীয় নয়। এই মিথ্যা সংবাদের ফলে কিছু মানুষ আমার সম্পর্কে বাজে ধারণা পোষণ করেছে। যা কখনোই কাম্য ছিল না। যেহেতু আমাকে বিনা অপরাধে অপরাধী বানানো হয়েছে, তাই জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে এবং ভবিষ্যতে যাতে কোন সাংবাদিক ভাই তদন্ত ছাড়া রিপোর্ট প্রকাশ না করে সেজন্য আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছি। তা না হলে কুচক্রী মহল আমার আরও অনেক বড় ধরণের ক্ষতি করতে পারে।
এছাড়া কক্সবাজারের সকল সাংবাদিক ভাই এবং প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি আপনারা সরেজমিন তদন্ত করে ঘটনার সত্য-মিথ্যা যাচাই করুন। আমি চ্যালেঞ্জ করছি তদন্তে যদি আমি অপরাধী হয় তাহলে কোন অজুহাত ছাড়াই শাস্তি মাথা পেতে নেব। কারণ আমার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোন মামলা বা অভিযোগ পর্যন্ত নেই। আর যদি আমি অপরাধী না হয় তাহলে কথিত ওই সাংবাদিক ভাইয়ের বিচারের দায়িত্ব আপনাদের উপর ছেড়ে দিলাম।
প্রতিবাদকারী
মো. সোলাইমান (বাচ্চু)
কলাতলী, আদর্শগ্রাম, কক্সবাজার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •