ইমাম খাইর, সিবিএনঃ
মুখজুড়ে টিউমার নিয়ে যন্ত্রণায় কাতর শিশু সাকিবের অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।
১৮ জুন সকাল ৮ টায় ঢাকা মেডিকেলে নিউরো সার্জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের অধীনে শিশু সাকিবের অপারেশন হয়েছে। সাকিব সুস্থ রয়েছে।
তার পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তার চিকিৎসার জন্য দিনমুজুর পিতা রফিক উদ্দিন হৃদয়বান ব্যক্তিদের নিকট থেকে আর্থিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এদিকে শিশু সাকিবের চিকিৎসা বিষয়ে খোঁজ খবর এবং ডাক্তারের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন, কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সহিদুজ্জামান।
ডাক্তারের উদ্বৃতি দিয়ে তিনি জানান, সাকিবকে এক সপ্তাহ সেখানে ডাক্তরের কেয়ারে রাখা হবে। দুই মাস পর আবার হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।  সাকিবের অপারেশনে নানা জটিলতা আছে। সাকিবের জন্য সকলের কাছে দোয়া ও সম্ভাব্য সহযোগিতা কামনা করেছেন ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সহিদুজ্জামান।
এদিকে, গত ১৪ জুন টিউমার আক্রান্ত সাকিবকে নিয়ে কক্সবাজার নিউজ ডটকম (সিবিএন)-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর থেকে অনেক হৃদয়বান ব্যক্তি সাকিবের চিকিৎসার জন্য সহায়তা দিতে যোগাযোগ করে। ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সহিদুজ্জামান তাদের অন্যতম।

শিশু সাকিবের চিকিৎসা সহায়তায় এগিয়ে আসার আবেদনঃ
নাকের উপরে বড় টিউমার নিয়ে দুর্বিসহ যন্ত্রণায় দিন কাটাচ্ছে আট মাসের শিশু সাকিব। টিউমারে আক্রান্ত দিনমজুর রফিক উদ্দিনের আটমাস বয়সের শিশু সন্তান মোহাম্মদ সাকিবের জরুরী অপারেশন দরকার। সন্তানের ব্যয়বহুল চিকিৎসায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অর্থের অভাবে অপারগ হয়ে পড়েছেন তিনি। তাই নিজের আটমাস বয়সী শিশু ছেলেকে উন্নত চিকিৎসা দিয়ে বাঁচাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ দেশের বিত্তশালী কাছে আর্থিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের ষোলহিচ্ছা গ্রামের বাসিন্দা রফিক উদ্দিন। গত ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে জন্মগ্রহণ করে তার শিশু সন্তান সাকিব। জন্মের পর সাকিবের কপালের নিচে নাকের উপরে এক জায়গায় একটু উঁচু দেখা যায়। এরপর থেকেই চিকিৎসা চলতে থাকে শিশু সাকিবের। কিন্তু সেটি ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। বাড়তে থাকে চিকিৎসার ব্যয়ভারও।
বসতভিটা ছাড়া রফিক উদ্দিনের আর কোনো সহায় সম্পদ নেই। তিনি বলেন, ফুটফুটে শিশু সাকিবকে নিয়ে পরিবারের সবাই হতাশাগ্রস্ত। চিকিৎসকরা বলেছেন, উন্নত চিকিৎসা করলে শিশু সাকিবকে বাঁচানো সম্ভব। এতে শিশু সাকিবকে বাঁচাতে অন্তত তার দুই লাখ টাকা দরকার। বর্তমানে শিশু সাকিব ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু সার্জারি ২০৪ নম্বর ওয়ার্ডের ৩৩ নম্বর বেডে চিকিৎসাধিন।
বিগত এক মাস ধরে ডা: রাজিউল হকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে সাকিবের।কান্নাজড়িত কণ্ঠে শিশুটির মা ছেনুয়ারা বেগম বলেন, মা হিসেবে আটমাস বয়সী এ নিষ্পাপ শিশুর অসহনীয় কষ্ট সহ্য করতে পারছিনা। ছেলেকে নিয়ে সারারাত ঘুমাতে পারি না। অসহ্য যন্ত্রণায় সাকিব শুধু অঝোরে কাঁদে। তার যন্ত্রনা ও কান্নার অবস্থা দেখে আমাদের খাওয়া, দাওয়া ও চোখের ঘুম নেই।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, শিশু সাকিবকে উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে পৃথিবীতে বেঁচে থাকার সুযোগ করে দিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, চকরিয়া-পেকুয়া আসনের জাতীয় সংসদ সদস্যসহ সবার কাছে এমনটা প্রত্যাশা করেন।
চিকিৎসকদের মতে, সাকিবের উন্নত চিকিৎসার জন্য কমপক্ষে দুই লাখ টাকা প্রয়োজন।

টিউমার আক্রান্ত শিশু মোহাম্মদ সাকিব এর পিতা রফিক উদ্দিন, মাতা ছেনুয়ারা বেগম। সাং- ডুলাহাজারা ৫ নম্বর ওয়ার্ড, গ্রাম, ষোলহিচ্ছা বালুর চর, চকরিয়া, কক্সবাজার। মোবাইল নং-০১৮৮৩৮২৫৮৫৫ (বিকাশ)।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •