বার্তা পরিবেশক:
শিশু সুরক্ষায় ধর্মীয় শিক্ষাও চেতনার কোন বিকল্প নেই। যে শিক্ষার সাথে ধর্মীয় অনুভূতি ও চিন্তা চেতনা সৃষ্টি হয়না সেই শিক্ষা উপকারী নয়। সেই শিক্ষা আমাদের সমাজে শিশুদের সুরক্ষাও দিতে পারেনা। শিশু সুরক্ষায় ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা অনেক বেশী। গতকাল
কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে ধর্মীয় গ্রন্থের আলোকে শিশু সুরক্ষা বিষয়ক এক সম্মেলনে বক্তারা এ কথা বলেন।
সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক একটি আর্ন্তজাতিক ‘টেরে দেস হোমস (টিডিএইচ)” নামের একটি সংস্থা এই সম্মলনের আয়োজন করে।

সংস্থাটি ১৯৭৪ সাল থেকে বাংলাদেশে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম পরিচালনায় ভুমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের আগষ্ট মাস থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ করছে এবং ২০১৮ সালের আগষ্ট মাস থেকে বাংলাদেশী শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। এই কার্যক্রমের অংশ হিসাবে কক্সবাজার জেলার ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে ধর্মীয় গ্রন্থের আলোকে শিশু সুরক্ষা বিষয়ক এই সম্মেলন এর আয়োজন করে।
আলোচনা সভায় সন্মানিত প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটির ইসলামিক ষ্টাডিজ,
বিভাগীয় প্রধান ডক্টর এস এম বেলাল আজিজ নূর।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে, মোঃ সাফে উদ্দিন, সহকারী পরিচালক, সমাজসেবা অধিদপ্তর। মোঃ আরিফ ইকবাল, ইন্সেপেক্টর বাংলাদেশ পুলিশ। সভাপতি জেলা হিন্দু-বোদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ এ্যাড. দিপংকর বড়ুয়া, কক্সবাজার জেলা সৎ সঙ্গ মন্দির প্রধান পুরোহিত বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, পাইন্যাশিয়া শান্তি নিকেতন বৌদ্ধ বিহার অধ্যক্ষ প্রিয় তিষ্য স্থবির।
এতে সভাপতিত্ব করেন আদনান বোয়ো, হেড অব মিশন, টিডিএইচ।

বক্তারা আরো বলেন, শিশু সুরক্ষা মূলত শুরু হয় পরিবার থেকেই। যে পরিবারে মাতা পিতা আদর্শ চরিত্রবান হয় সেই পরিবারের শিশুরা ও সেভাবে গড়ে ওঠে। তারা আদর্শ নাগরিক হিসেবে বেড়ে উঠে। আর যে পরিবারের মা-বাবারা চরিত্রহীন হয় সেই পরিবারের শিশুরাও এভাবেই গড়ে ওঠে। তাই সকল ধর্মমতের নেতৃবৃন্দ শিশু সুরক্ষার ব্যাপারে সমাজের সর্বস্তরে সতর্ক ভূমিকা রাখার পাশাপাশি পরিবার থেকেই শিশু সুরক্ষা শুরু করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •