এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া
চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারস্থ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের গেইটে ইজারাদার নিয়োগ ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ বিষয়ে রোববার বিকেলে দুর্নীতি দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক রতন কুমার দাসের নেতৃত্বে দুদকের একটি টিম চটগ্রাম মহনগরীর ষোলশহারস্থ চট্টগ্রাম বিভাগীয় বন দপ্তর অফিসে গিয়ে বিভিন্ন নথিপত্র জব্দ করেছেন।

দুদক জানায়, অভিযানে পাওয়া বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই-বাছাইয়ে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আরও অনুসন্ধান করতে দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে আবেদনও করেছে দুদকের টিমটি।

দুদক জানায়, বঙ্গবুন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের গেটের ২০১৮-১৯ সালের ইজারা নিতে একাধিক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বিভাগীয় বন দপ্তরে আবেদন করেন। কিন্তু বিভাগীয় বনদপ্তর থেকে আবেদন করা ঠিকাদারদের সকল কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৯৫ লাখ ৫০ হাজার টাকার বিপরীতে সর্বোচ্চ দরদাতা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে (চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদীর মের্সাস সজিব এন্টারপ্রাইজ) ইজারা না দিয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তাঁর পছন্দের ৮৫ লাখ টাকার বিপরীতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতাকে ইজারার কার্যাদেশ প্রদান করেন।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক জাফর সাদেক শিবলী বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা বিভাগীয় বন কর্মকর্তার অফিসে যাই। সেখান থেকে পাওয়া নথিপত্রের সাথে বাস্তবিক মিল পাওয়া যায়নি। এতে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত অনুসন্ধানের প্রয়োজন আছে। অনুসন্ধান শেষে উক্ত প্রতিষ্ঠানের দর যাচাই সংক্রান্ত তথ্যাবলি পিপিআর এর সাথে খতিয়ে দেখে কমিশনে বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •