আবুল কালাম চট্টগ্রাম :
চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল মান্নান বলেছেন ভেজাল শুধু খাদ্যে নয়; আমরা দেখছি কাপড় এবং ওষুধের দোকানেও হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষ ওষুধের ব্যাপারে ভালো-খারাপ বুঝে না। তাদেরকে এভাবে ঠকানো হচ্ছে। প্রয়োজনে আমি ওষুধ প্রশাসনকে জানাবো যাতে আমাদের সহকারী কমিশনারদের যথোপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

সোমবার (১৭ জুন) সকালের দিক চট্টগ্রাম বিভাগীয় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব বলেন।

তিনি আরও বলেছেন, যতবড়ই কোম্পানির পণ্য হোক না কেন, পুণ্যে ভেজা পাওয়া গেলেই বাজেয়াপ্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান সারাবছর অব্যাহত রাখতে হবে। সাধারণ মানুষ যাতে বলতে না পারে ‌‘রমজান মাসে অভিযান চলে অথচ অন্যান্য মাসে চলে না’ এটা হতে দেওয়া যাবে না। চতুর্দিকে দেখছি ভেজালের ছড়াছড়ি। তা কোনভাবে ছাড় দেওয়ার মতো নয়। আমি সকল জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিচ্ছি ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান যাতে আগের তুলনায় বৃদ্ধি করে।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, কক্সবাজারে এখন ১০ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা গেছে পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও ১০ লাখ রোহিঙ্গা আছে আবার বাংলাদেশেও ১০ লাখ। এতে বুঝা যায় যে, তুলনামূলক বেশি রোহিঙ্গা বাস করছে। সুতরাং এদেরকে তাদের নির্দিষ্ট এলাকা থেকে বের হতে দেওয়া যাবে না। এ ব্যাপারে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন গুরুত্ব সহকারে মনিটরিং করবে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামসহ আরও কয়েকটি জেলায় উন্নয়নের কাজ চলছে। যার কারণে প্রচুর বিদেশি নাগরিক কর্মসংস্থানের সাথে জড়িত। যে কেউ চাইলে বিদেশিদের সঙ্গে বিরোধ করে যেকোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। বিদেশিদের নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের জন্য স্পেশাল ফোর্স দেয়ার জন্য আমি মন্ত্রণালয়ে জানাবো।

এ সময় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মাহবুবর রহমান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি ফয়েজুর রহমান, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার নুরুল আলম নিজামীসহ চট্টগ্রাম বিভাগের সকল জেলা প্রশাসকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •