রামুতে সংখ্যালঘু পরিবারের দোকান জবর-দখলের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
রামু উপজেলার প্রাণকেন্দ্র রামু চৌমহনী স্টেশনে সংখ্যালঘু বড়–য়া সম্প্রদায়ের এক পরিবারের একটি দোকান জবর দখল করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রামু মন্ডল পাড়ার আকতার আহমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীরা হলেন, মধ্যম মেরংলোয়া বড়–য়াপাড়ার মৃত মাস্টার মনোহরী বড়–য়ার পরিবারের সদস্যরা। জবর-দখলকারী প্রভাবশালী হওয়ায় নিরূপায় হয়ে পড়েছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মাস্টার মনোহরী জীবিত থাকাকালে ১৯ বছর আগে রামু চৌমুহনী স্টেশনে অবস্থিত তার মালিকানাধীন একটি দোকান আকতার আহমদকে মাসিক ভাড়া দিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন আকতার আহমদ দোকানটিতে ব্যবসা করে আসছে। বিগত ৫ বছর আগে মাস্টার মনোহরীর মৃত্যু বরণ করেন। কিন্তু তার মৃত্যুর পর তার ছেলেরা ভাড়া চাইতে গেলে আকতার আহমদ ভাড়া দিতে অস্বীকার করে। এই নিয়ে তিনি নানা অজুহাত ও তালবাহনা শুরু করে। এভাবে তিনি ৫ বছরে কোনো ভাড়াই দেয়নি। এর মধ্যে গত ১০ মাস আগে বণিক সমিতি ও রামু থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় একটি সালিশী বৈঠক হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়ে যে, ১০ মাস পর আকতার আহমদকে দোকান ছেড়ে দিতে হবে এবং এই ১০ মাসের ভাড়া বণিক সমিতির কাছে জমা থাকবে। গত ১জুন ওই ১০ মাসের মেয়াদ হয়েছে গেছে।
মৃত মনোহরী বড়–য়ার পুত্র ভুক্তভোগী মিথুন বড়–য়া অভিযোগ করেন বলেন, সালিশী সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১০ মাস পর আমরা দোকান ফেরত চাই। কিন্তু দোকান ফিরিয়ে দিতে অস্বীকার করে আকতার আহমদ। দোকান বুঝে নিতে গেলে উল্টো আমাদেরকে প্রকাশ্যে গালি-গালাজ ও নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে।
তিনি আরো অভিযোগ করেন, আকতার আহামদের পুত্র নাহিদ আহমদ অপু প্রভাব দেখিয়ে প্রকাশ্যে মৃত মনোহরী বড়–য়ার পুত্র ভুক্তভোগী মিথুন বড়–য়াসহ তার পবিরাবের সদস্যদের হুমকি দিচ্ছে। ভুক্তভোগীরা সংখ্যালঘু হওয়ায় তাদের কোনোভাবেই গ্রাহ্য করছে না। তাই ধারায় জোর করে অবৈধভাবে দোকানটি দখল করে রেখেছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রামু চৌমুহনী ক্ষুদ্র বণিক সমবায় সমিতির সভাপতি রফিকুল আলম বলেন, ‘সালিশী সিদ্ধান্ত মোতাবেক দেয়া ১০ মাস সময় পেরিয়ে গেছে। তাই আমরা মধ্যস্থাকারী হিসেবে দোকান ফিরিয়ে দিতে বললে আকতার আহমদ নানা তালবাহনা শুরু করেছে। আজ দেবে, কাল দেবে বলে সময় ক্ষেপণ করছে। এটা মূলত তাদের অজুহাত। দোকান উদ্ধারের জন্য মৃত মনোহরী বড়–য়ার পরিবার যে ব্যবস্থায় যাবে আমরা সেখানে সহযোগিতা করবো।’
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আকতার আহমদের পুত্র নাহিদ আহমদ অপু বলেন, ‘নানা লেনদেনের কারণে দোকানটা আমি ছাড়তে পারছি না। তাই মালিক পক্ষের দাবি মোতাবেক আমি যুগোপযোগী সেলামী ও ভাড়া দিয়ে চুক্তি নবায়ন করে দোকানটি আমি রাখতে চাই।
তবে এ ব্যাপারে অনীহা প্রকাশে করে মৃত মনোহরী বড়–য়ার পুত্র ভুক্তভোগী মিথুন বড়–য়া বলেন, ‘এটা তাদের আরেকটা অজুহাত। আকতার আহমদ গোপনে অন্যজনকে দোকানটি দিয়ে দেয়ায় পাঁয়তারা করছে। এতে আমরা বড় অঘটনের আশঙ্কা করছি। তাই আমরা আকতার আহামদের সাথে আর চুক্তি নবায়ন করতে চাই না।’
তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন সময় ভাড়া আদায় নিয়ে তার সাথে আমাদের অনেক হয়রানি ও নাজেহাল হতে হয়েছে। এমনকি ভাড়া না দেয়া দোকান পর্যন্ত আমরা তালাবদ্ধ করেছিলাম।

সর্বশেষ সংবাদ

ঘুমন্ত তুহিনকে কোলে করে নিয়ে আসেন বাবা, খুন করেন চাচা

২০ অক্টোবর জেলা শ্রমিক লীগের বর্ধিত জরুরী সভা আহ্বান

ত্রি-দেশীয় সম্মেলনে যোগ দিতে ৮ দিনের সফরে ভারত যাচ্ছেন সাংবাদিক নজরুল 

আন্তর্জাতিক কনফারেন্স শেষে ইফা’য় সৌজন্য সাক্ষাত করলেন মাওলানা সিরাজুল ইসলাম

পিএমখালীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয়

লোহাগাড়ায় চোলাই মদসহ মহিলা আটক

সদরের ইসলামপুরে চিংড়ি ঘের দখলঃ গুলি বর্ষন, আহত ৪

রত্নাপালং যুদ্ধে আতংকের ক্ষতিটুকুন যেন হয় মোর উত্তরাধিকার!

সুপারী চোরদের গোপন বৈঠক!

প্রথমার ৬ দিন ব্যাপী বইমেলা, মিলছে সর্বোচ্চ ৬০% ছাড়ে বই

মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের ক্রাউন পরাবেন ভারতের সুস্মিতা সেন

উখিয়ায় আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উদযাপন

ল্যাপটপ কোলে নিয়ে কাজ করলে হারাতে পারেন পুরুষত্ব

কক্সবাজার এলএ শাখায় দালালি করতে গিয়ে ধরা, খোরশেদসহ ৫ জনের সাজা

মিয়ানমারের কাছে ৫০ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা হস্তান্তর

বদরখালীতে জেলে পরিবারের মাঝে ভিজিএফের চাউল বিতরণ

কক্সবাজার সিটি কলেজ আন্তঃ অনুষদ ফুটবল টুর্নামেন্টের জার্সি উন্মোচন

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে জাহাঙ্গীর আলমের জামিন বহাল

শান্তিতে কাঁদোক

রামুর কচ্ছপিয়ায় ভোটার হতে আসা রোহিঙ্গাসহ আটক ২