নিজস্ব প্রতিবেদক:
চট্টগ্রামে এই প্রথম বারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে এক জায়গায় মিলিত হলো ১৯ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন বন্ধুরা। শুধু বন্দরনগরী নয়, সুদূর ঢাকার বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের বন্ধু ঈদ আয়োজনে যোগদান করে। গানে গানে কেক কেটে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
‘হৃদয়ের টানে-বন্ধুদের সনে’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত ঈদ উৎসবে ১৯৯৮-২০০০ সাাল ব্যাচের (যারা ৯৮-তে এসএসসি এবং ২০০০- এ এইচএসসি পাশ করেছে) ২৬৬ জন সহপাঠী বিশাল পরিসরে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতেছিল।
১৪ জুন চট্টগ্রামের সিআরবিতে অবস্থিত তাসফিয়া গার্ডেন রেস্টুরেন্টে ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোঃ রায়হান কাজেমি (পিপিএম)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে সামগ্রিক অনুষ্ঠান উপভোগ্য করে তুলে। এতে সবার স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত সাবেক বন্ধুদের ঈদ সম্মিলনটি হয়ে উঠে প্রাণবন্ত। প্রাণ পায় দূরে থাকা-হারিয়ে যাওয়া বন্ধুত্ব।
বর্ণাঢ্য আয়োজনের আহবায়ক ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোঃ রায়হান কাজেমি (পিপিএম) জানান, এই গ্রুপের বর্তমান সদস্য প্রায় ১১ হাজার, যাতে সমগ্র বাংলাদেশের ১৯৯৮-২০০০ ব্যাচের স্টুডেন্টস অন্তর্ভুক্ত। প্রতিনিয়ত সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি হচ্ছে।
তিনি জানান, চট্টগ্রামে ভিন্ন ভিন্ন স্কুলের কয়েকজন বন্ধু মিলে প্রাথমিকভাবে আলোচনা করে একটি ঈদ উৎসবের আয়োজন করা হয়। তাতে প্রথমবারেই অভূতপূর্ব সাড়া ফেলে। ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে সবার আন্তরিক সহযোগিতা দরকার। গ্রুপের সদস্য হওয়া ৯৮-০০ ব্যাচের সবার জন্য উন্মুক্ত।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মহানগর যুবলীগ নেতা জনাব কাজী শামীম হাবীব রুবেল এবং সিডিএ কলেজের শিক্ষক মোঃ মাসুদ হোসেন রানা।
১৯টি স্কুলের ২৫জন প্রতিনিধি অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণমুলক বক্তব্য রাখেন।
প্রথমবারের ঈদ উৎসবে যারা সার্বিক সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন আহবায়ক হোসাইন মোঃ রায়হান কাজেমি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •