ফাইল ছবি

জাহাঙ্গীর আলম, টেকনাফ :

টেকনাফ উপজেলার পাহাড় গুলো ছিল বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য । ছিল অনেক হাতির আবাসস্থল। বনের ভিতর হাতির আবাসস্থল নষ্ট ও বসবাসের উপযুক্ত পরিবেশ না থাকা ও খাদ্যের অভাবের কারণে হাতি গুলো লোকালয়ে চলে আসছে।

সরেজমিনে দেখাযায়, ১৪ জুন শুক্রবার দুপুর ১২ টার দিকে কক্সবাজার- টেকনাফ সড়কেড় নাইটংপাড়া পাহাড়ের চুড়ায় এক ক্ষুধার্ত হাতি খুব দুর্বল অবস্থায়  খাদ্য আহরণ করছে।

নাইটং পাহাড়ের পাশাপাশি রয়েছে বিশাল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বসবাস। বতর্মানে পাহাড়ে নেই কোন গাছপালা এক সময় পাহাড় গুলো গাছপালায় ভরপুর ছিল আজ সেই পাহাড় মরুভূমি তে রুপান্তর হচ্ছে।

স্থানীয় জামাল হোসেন (৩০) বলেন,যেহেতু বনের কাছাকাছি আমাদের বসবাস। পাহাড় থেকে দিনে ও রাতের বেলায় হাতি চলে আসে আমাদের গ্রামে। কিন্তু হাতিগুলেঅ খুব দুবর্ল ও ক্ষুধার্ত। তারা আমাদের পাশে পাহাড়ের কলাগাছ ও লতাপাতা সহ বিভিন্ন প্রজাতির পাহাড়ি ঢাল পালা খেয়ে চলে যায়।তবে হাতির ভয়ে আমাদের দিন কাটাতে হচ্ছে। কারণ যেকোন সময় হাতি গুলো আমাদের ঘরবাড়িতে আক্রমণ করে আমাদের ক্ষতি করতে পারে। জরুরী ভিত্তিতে হাতি গুলো সংরক্ষণ করার আহবান জানাই।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •