cbn  

ফরিদুল মোস্তফা খানঃ
এনজিওরা রোহিঙ্গা সেবার কথা বলে উচ্চ বেতনে নিজেরাই আমোদ ফূর্তিতে বিলাসী সময় কাটাচ্ছে। ক্যাম্পে নিয়োগ ছাঁটাই অজুহাতে তারা বেকার যুবক যুবতীদের ভবিষৎ ধ্বংস করে দিচ্ছে। মুসলিম প্রধান দেশটিতে এদের বেপরোয়া লালসার শিকার হয়ে অনেক তরুণী এখন অকালেই পেঁকে গেছে। বাদ যাচ্ছে না অর্থলোভী গৃহবধুরা।
ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা ও স্বামীরা নিজেদের অর্ন্তজ্বালার কথা মুখ ফুটিয়ে কাউকে বলতে না পারলেও নীরবে নয়ন জলে ভাসছে। ঘটছে প্রেম, বিরহ, বিচ্ছেদ, পরকীয়া, আত্মহত্যা ও দেশান্তরের ঘটনা।
পরিস্থিতি ক্রমশ: মরণনেশা ইয়াবার চেয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। এ অবস্থায় দেশের মধুখেকো এনজিওরা রোহিঙ্গা ফিরে যেতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে দেরী না করে এখনই বিষফোঁড়া রোহিঙ্গা ও এনজিওদের তাড়িয়ে দিতে হবে। বাঁচাতে হবে দেশ মাটি ও মানুষ।
জানা গেছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পুরো দেশেই ছড়িয়ে পড়ছে এইড্স। ক্যাম্পে প্রতি মাসে কমপক্ষে ৫ থেকে ৬ জন রোহিঙ্গাকে পাওয়া যাচ্ছে এইচআইভি পজেটিভ। বর্তমানে তাদের প্রায় আড়াই হাজার নারী পুরুষ, শিশু এইডসে আক্রান্ত। রোহিঙ্গাদের কারণে শুধু কক্সবাজার নয়, পুরো দেশেই ছড়িয়ে পড়ছে মরণব্যাধি। এছাড়া তাদের অস্ত্র, মাদক, খুন, ধর্ষণ, বনভূমি উজাড়, চুরি ডাকাতিসহ হরেক অপকর্মের কথা তো কারো অজানা নয়!
সুতরাং, দেশ বাঁচাতে এনজিও এবং রোহিঙ্গাদের তাড়াতে হবেই। নচেৎ কঠিন বিপদাসন্ন।
মনে রাখতে হবে, সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়।

লেখক :
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক দৈনিক কক্সবাজারবাণী।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •