আনছার হোসেনঃ
এই মুহূর্তে (বাংলাদেশ সময় রবিবার, সকাল সাড়ে ৬ টা) বাংলাদেশ বিমানের ৭৭৭ বোয়িংয়ে বসে আছি।
জেদ্দাহ কিং আবদুল আজিজ এয়ার পোর্ট। ভাগ্যটাই এমন, সিট পড়েছে পাইলটের ঠিক পেছনে। কিন্তু মনটা দুরু দুরু কাঁপছে। ভয়ে নয়, কী জমিন থেকে ফিরে যাচ্ছি, এজন্যই মনটা কাঁদছে। পবিত্র মক্কা ও মদিনার বুকে ছিলাম ২৬ দিন। এই জগতের মহান স্রষ্টা আল্লাহর ঘরের কত কাছে ছিলাম, দু’চোখ ভরে ওই ঘরটাকে কত দেখেছি।
আল্লাহর অসীম রহমত, যে স্থান গুলোতে দাঁড়িয়ে, ছুঁয়ে তাঁর কাছে চাইলে তিনি কোন বান্দাকে ফিরিয়ে দেন না, সেই সব জায়গায় যেন আল্লাহ নিজের হাতেই সবকিছু করিয়ে দিয়েছেন!
আমি অভাগা মহান আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট হয়ে গেছি। এখন তিনি সন্তুষ্ট হলেই …!
ইয়া আল্লাহ, তোমার ইচ্ছা ছাড়া কোন মানুষ তোমার ঘরে আসতে পারেন না। কাবা ঘর বানিয়ে হযরত ইব্রাহীমকে (আ.) আযান দিতে বলেছিলে তুমি। তোমার নবী অবাক বিস্ময়ে বলেছিলেন, ‘এই মরুভূমিতে কোন মানুষ নেই, কে শুনবে আযান! তুমি বলেছিলে, আযান দেয়ার দায়িত্ব আপনার, পৌঁছে দেয়া আমার কাজ।’
হযরত ইব্রাহীমের (আ.) সেই আযানের ধ্বনি তুমি আমার কানেও পৌঁছে দিয়েছিলে। আমি কিভাবে প্রকাশ করবো সেই কৃতজ্ঞতা! আমার তো ভাষা জানা নাই। তুমি ক্ষমা করো, মাবুদ।
এখন এই চিন্তায় কাঁদছি, আবার কবে তুমি তোমার ঘরের মেহমান বানিয়ে নিয়ে আসবে?

-ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •