ইমাম খাইর, সিবিএনঃ
পহেলা শাওয়াল (৫ জুন, বুধবার) জেলাব্যাপী পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
রমজানের রোজা শেষে মুসলমানদের সর্ববৃহৎ এই ধর্মীয় উৎসব জেলার প্রতিটি এলাকায় পালিত হচ্ছে।
তবে, ঈদের নামাজের সময় বৃষ্টির কারণে সামান্য ব্যাঘাত হয়েছে। ঈদের উৎসব অনেকটা ঘরে বন্দি হয়ে গেছে। পথঘাট পিচ্ছিল হওয়ায় বাসা বাড়ি থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। সকাল পৌনে  ১১ টায় এই রিপোর্ট লেখাকালে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। আকাশে সূর্যের দেখা মেলেনি।
কক্সবাজার কেন্দ্রিয় ঈদগাহ ময়দানে জেলার প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এবং পৌরসভার ব্যবস্থাপনায় এতে প্রায় ২০ হাজার মুসলমান ঈদের নামাজ আদায় করেছে। পুরো ঈদগাহ মাঠে বিস্তীর্ণ সামিয়ানার নীচে ঈদের জামাত সম্পন্ন হয়েছে। বৃষ্টিতে অনেকের ঈদের নতুন জামা কাপড় ভিজে গেছে। ছাতা মাথায় নামাজ আদায় করেছে মুসল্লীরা ।
নামাজে ইমামতি করবেন কক্সবাজার কেন্দ্রিয় জামে মসজিদের খতিব ও চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাহমুদুল হক। তিনি দীর্ঘ প্রায় ২৮ বছর ঈদের নামাজে ইমামতি করে আসছেন।
সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি, জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন, পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, কক্সবাজার পৌরমেয়র মুজিবুর রহমান, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্তাবকর্তাব্যক্তিরা কক্সবাজার কেন্দ্রিয় ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ পড়েন। ঈদ জামাতের নিরাপত্তায় প্রশাসন সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেয়।
কক্সবাজার বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স মাঠে সকাল ৯ টায় এবং বদর মোকাম জামে মসজিদে ঈদের জামাত সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
একইভাবে জেলার অন্যান্য ঈদগাহ মাঠ ও জুমা মসজিদেও ঈদের জামাত হয়। তবে, শাওয়ালের চাঁদ দেখা নিয়ে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির দুই রকম সিদ্ধান্তের কারণে গ্রাম গঞ্জের সাধারণ মুুুুসলমানরা বিভ্রান্তিতে পড়েছেন। দ্বিধাদ্বন্দ্বের কারণে অনেকে ঈদের নামাজ মিস করেছেন বলে জানা গেছে। এজন্য সরকারের সংশ্লিষ্টদের দোষছেন সর্ব শ্রেণী ও পেশার মানুষ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •