প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কক্সবাজার জেলা শাখার আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এড. সিরাজুল মোস্তফার সভাপতিত্বে গতকাল হোটেল সী-গালে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মেয়র, মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, সংসদ সদস্য কানিজ ফাতেমা মোস্তাক, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ সি.আই.পি, ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, রেজাউল করিম, সভা পরিচালনা করেন এম.এ.মনজুর।

নেতৃবৃন্দরা বলেন- ইসলাম মানবতার ধর্ম, শান্তির ধর্ম, মহানবী সঃ ছিলেন মানবতার মূর্ত প্রতীক। নেতৃবৃন্দরা আরো বলেন- পাকিস্তান আমল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বিভিন্ন গোষ্ঠি ধর্মকে পুজি করে এদেশে রাজনীতি শুরু করে, ধর্মের অপব্যাখা দিয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। শুধুমাত্র ধর্মের দোহায় দিয়ে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের সাথে যুক্ত করে পূর্ব পাকিস্তান সৃষ্টি করা হয়েছিল, ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে ১৯৭১ সালে ৩০ লক্ষ মানুষকে হত্যা, ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জত লুন্ঠন করা হয়েছিল।

নেতৃবৃন্দরা আরো বলেন-স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইসলামের ভিত্তি সূদূঢ় করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। বায়তুল মোকারম কে জাতীয় মসজিদ এবং টঙ্গীতে বিশ্ব এজতেমার জন্য জমি প্রদান করেন। মদ, জোয়া ও ঘোড়দৌড় নিষিদ্ধ ঘোষনা করেন। জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতার আসার পর মাদ্রাসা শিক্ষায় ব্যাপক পরিবর্তন এনে শিক্ষার্থীদের আধুনিক, বিজ্ঞান ভিত্তিক, শিক্ষায় শিক্ষিত করে প্রতিযোগিতা মূলক বিশ্বে টিকে থাকার উপযোগী করে গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় রয়েছেন। সারাদেশে প্রায়ই সাড়ে পাঁচশত আধুনিক মসজিদ ও ইসলামিক গবেষনা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা মহৎ উদ্যোগ নেন। সারাবিশ্বে তিনি নির্যাতিত, নিপিড়িত মুসলমানদের পক্ষে সব সময় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি, নির্যাতিত ১২ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলমানদের বাংলাদেশে আশ্রয় প্রদান করে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

নেতৃবৃন্দরা আরো বলেন- বি.এন.পি জামাত সব সময় ইসলামের দোহাই দিয়ে ইসলামকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে মানুষ হত্যা, অগ্নি সংযোগ সহ ব্যাপক নাশকতা করে দেশের শান্তি বিনষ্ট করার গভীর ষড়যন্ত্র লিপ্ত। তাদের এই ষড়যন্ত্র কখনো সফল হবে না কারণ ইসলাম শান্তির ধমর্, এখানে জঙ্গিবাদের কোন স্থান নেই, সকলকে ঐক্যবদ্ধ থেকে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে দেশের চলমান উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন, পুলিশ সুপার এ.বি.এম মাসুদ হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা এথিন রাখাইন, এড.আমজাদ হোসেন, শাহ আলম চৌধুরী, আজিজুর রহমান বিএ, বদিউল আলম সিকদার, জাফর আলম চৌং, মাহবুবুল হক মুকুল, রনজিত দাশ, মাহবুবুর রহমান চৌং, লেঃ কর্নেল অবঃ ফোরকান আহমদ, এড.আব্বাস উদ্দিন চৌং, এড.আয়াছুর রহমান, শফিকুর রহমান, ইঞ্জিঃ বদিউল আলম, এড.মমতাজ, এড.নুরুল ইসলাম, খোরশেদ আলম চৌং, অধ্যাপক চন্দ শর্মা, ইউনুছ বাঙ্গালী, এস.এম কামাল উদ্দিন, নুরুল আবছার, আবদুল খালেক, এড.তাপস রক্ষিত, কাজী মোস্তাক আহমদ শামীম, হেলাল উদ্দিন কবির, খোরশেদ কুতুবী, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, নুসরাত জাহান মুন্নী, এড.সুলতানুল আলম, আবু তাহের আজাদ, আদিল উদ্দিন চৌং, শফিকুল কাদের শফি, মকছুদ মিয়া, আমিনুর রশিদ দুলাল, মোঃ হোসেন বিএ, সোনা আলী, মিজানুর রহমান, এ.টি.এম জিয়াউদ্দিন জিয়া, শুপ্তভূষণ বড়–য়া, আব্দুর রউফ, উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল, কায়ছারুল হক জুয়েল, ফজলুল করিম সাঈদী, সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান চৌং, আবু তাহের চৌং, তোফায়েল আহমদ, মুজিবুল ইসলাম, মোঃ আলী জিন্নাত, জাহেদ সরওয়ার সোহেল, মুক্তিযুদ্ধা মোঃ শাহজাহান, মোঃ আলী, আবু তাহের মেম্বার, নজিবুল ইসলাম, উজ্জ্¦ল কর, শামসুল আলম মন্ডল, জাহাঙ্গীর কবির চৌং, আরঙ্গজেব মাতবর, নুরুচ্ছাফা বিকম, মহসিন বাবুল, জাহিদুল ইসলাম লিটু, হামিদা তাহের, সোহেল আহমদ বাহাদুর, রহিম উদ্দিন, শফিউল্লাহ আনছারী, আয়েশা সিরাজ, তাহমিনা চৌং লুনা, টিপু সুলতান চেয়ারম্যান, আরিফুর মওলা, হারুন অর রশিদ, শাহনাজ আক্তার পাখি, ইয়াছমিন আক্তার, দিদারুল ইসলাম রুবেল, ফরিদ খন্দকার।

এছাড়া জেলার বিভিন্নস্থরে দলীয় নেতাকর্মী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ি, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ ও সাধারণ জনগণ ব্যাপকভাবে ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ করে।

  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •