মো. ফারুক, পেকুয়া:
পেকুয়ায় বেলাল উদ্দিনকে (৩৮) নামে শ্রমিকলীগ নেতাকে দুর্বৃত্তরা হত্যাচেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (২৮মে) দুপুর দেড়টায় বারবাকিয়া রাস্তার মাথায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত শ্রমিকলীগ নেতা পেকুয়া সদর ইউনিয়নের মছন্যাকাটা এলাকার মৃত ফজল আহমদ এর পুত্র সদর ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের আওতাধীন পূর্বাঞ্চল শাখার যুগ্ন-আহ্বায়কের দায়িত্বপালন করছেন।

ঘটনার সাথে সাথেই পেকুয়া থানার এএসঅাই নিউটন বড়ুয়া অাহতকে উদ্ধার করে পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

হামলার ঘটনা প্রত্যক্ষদর্শী শ্রমিকলীগ নেতা মোঃ মোরশেদ বলেন, বেলাল উদ্দিনসহ পেকুয়া বাজার থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিলাম। বারবাকিয়া রাস্তার মাথা পৌঁছামাত্র সংঘবদ্ধ ১৪/১৫জনের একদল লোক আমাদের গতিরোধ করে। একপর্যায়ে তারা আমাকে চলে যেতে বলে বেলালকে হাতুড়ি দিয়ে মারধর শুরু করে। আমি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে আমাকেও মারধরের চেষ্টা চালায় তারা। দ্রুত আমি পেকুয়া থানা পুলিশকে ঘটনাটি অবগত করলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে আহত বেলাল উদ্দিনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

আহত শ্রমিকলীগ নেতা বেলাল উদ্দিন বলেন, মোঃ হুমাঈন নামের ইট ব্যবসায়ীর কাছ থেকে আমি কিছু টাকা পাওনা ছিলাম। অন্যদিকে হুমাইনের ভাই সেলিম উদ্দিনের পেকুয়া বাজারস্থ দোকানে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা পাওনা ছিল। এঘটনায় দুপক্ষে কথাকাটাকটি হয়। ঘটনার দিন আমি পেকুয়া ঋণদান সমিতি থেকে টাকা উত্তোলন করে সেলিমের দোকানে গিয়ে পাওনা নিয়ে নিতে বলি। কিন্তু সেলিম উদ্দিন পাওনা টাকা না নিয়ে অামাকে অশ্লীল ভাষায় গালি দিয়ে মারধরের চেষ্টা করে। আমরা দ্রুত রিক্সা নিয়ে বাড়ির দিকে চলে যাওয়ার সময় বারবাকিয়া রাস্তার মাথায় আমাদেরকে গতিরোধ করে মারধর শুরু করেন হুমাঈনসহ অন্য ৪ জন। ওই সময় আমার পকেটে থাকা প্রায় ৮২হাজার টাকা ও ১টি মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে না গেলে অামাকে প্রাণে মেরে ফেলত। এঘটনায় অামি থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এঘটনায় অভিযুক্ত মোঃ হুমাঈনের বক্তব্য নেওয়ার জন্য মোঠোফোনে কল করলে এক শিশু কল রিসিভ করে। তিনি কথা বলতে অপরাগত প্রকাশ করেন।

এএসআই নিউটন বড়ুয়া বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে অামরা দ্রুত অাহতকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে অাসি। লিখিত অভিযোগ হামলার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হবে।

পেকুয়া থানার ওসি জাকির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •