cbn  

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজার শহরের আইবিপি মাঠ সংলগ্ন সুইপার কলোনীতে শালিশী বিচারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে সদর থানায়। হামলার শিকার পরিবার মামলা দায়ের করলেও আসামীদের কাছ থেকে রেহায় পাচ্ছে না। বর্তমানে মামলা তুলে নিতে বাদি পক্ষকে হত্যাসহ বিভিন্ন হুমকি ধুমকি দিয়ে যাচ্ছে আসামীরা। সোমবার রাতে শহরের একটি হোটেল কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগি রিনা হরিজন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বাচ্চাদের ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে একটি তুচ্ছ ঘটনা ঘটে। ঘটনার বিচারাধীন বিষয়কে অমান্য করে মিঠুন হরিজন ও সন্ত্রাসী জয় বিশ্বাসের নেতৃত্বে পরিমল জলদাশ, রাজু জলদাস, দিপক জলদাশ, লিটন হরিজন ও কেশব জলদাশসহ আরো কয়েকজন মিলে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় গত ১৮ মে। এতে আমার ছেলে রাকেশ হরিজনসহ আটজনকে তারা মারাত্মক জখম করে। এরমধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে রেফার করা হয়।

এই ঘটনায় গত রোববার আহত রাকেশ হরিজনের মা বাদি হয়ে মিঠুনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

রিনা হরিজন বলেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পর এখন প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। দ্রুত মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে মিঠুন হরিজনের নেতৃত্বে সকল আসামীরা। তারা বসতবাড়িতে হামলা করে পরিবারের সবাইকে হত্যা করবে বলে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এসব আসামীরা মাদক সেবন করে রাতে হুমকি দেয়। এমনকি মামলা প্রত্যাহার না করলে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রাণি করার হুমকি দেন। বর্তমানে তারা বিভিন্ন প্রভাবশালীদের দিয়ে থানা ম্যানেজ করে মিথ্যা মামলা দায়ের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, মামলার প্রধান আসামী মিঠুন হরিজন কক্সবাজার জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের একজন ঝাড়–দার। সরকারি লোক চাকরিজীবি হওয়ায় কখনো নিজেকে পেশকার, আবার কখনো ম্যাজিস্ট্রেটের পিএ পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন মামলায় জড়াবে বলে হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এছাড়া তিনি কক্সবাজার পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ড আ.লীগের সহ সাধারণ সম্পাদক। রাজনৈতিক পরিচয় দিয়েও তিনি আমাদের ভয় ভীতি দেখাচ্ছে। মামলা প্রত্যাহার না করলে আমাদেরও মিথ্যা মামলায় জড়াবে বলে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। এমন হুমকিতে বর্তমানে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। এব্যাপারে আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি দ্রুত।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •