প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কক্সবাজার জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, সাবেক এমএনএ, মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর, বরেণ্য আইনজীবি নুর আহমেদ’র ৮ম মৃত্যু বার্ষিকীতে শোক প্রকাশ করেছেন জেলা যুবলীগ নেতৃবৃন্দ।

এক শোক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, আমৃত্যু মুজিবাদর্শ লালন ও ধারণ কারী এড. নুর আহমেদ নীতি-নৈতিকতার সর্বোচ্চ অবস্থানে ছিলেন। তিনি গণ-মানুষের আস্থার ঠিকানা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়ে এ জনপদে বঙ্গবন্ধুর সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন বাস্তয়নে সহায়ক ভূমিকা রেখেছেন। বর্তমান রাজনৈতিক সংকটকালীন সময়ে মুক্তিযুদ্ধের বীর পুরুষ এড. নুর আহমদের নীতি-আদর্শের লালন ও ধারণ করা সবার জন্য পাথেয়।

জেলা আওয়ামী লীগের প্রয়াত এ নেতার ৮ম মৃত্যু বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন, জেলা সভাপতি প্রয়াতের বড় সন্তান সোহেল আহমদ বাহাদুর ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক সোহেল।

এছাড়া রামু উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম, সাধারণ সম্পাদক নীতিশ বড়ুয়া, কক্সবাজার পৌর যুবলীগের আহবায়ক শোয়েব ইফতেখার, যুগ্ম আহবায়ক ডালিম বড়ুয়া, আসাদ উল্লাহ, শাহেদ মোঃ এমরান, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ইফতেখার উদ্দিন পুতু, সাধারণ সম্পাদক রাজিবুল হক রিকো, চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কাউছার উদ্দিন কচির, উখিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মুজিবুল হক আজাদ, সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন, মহেশখালী উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক সাজেদুল করিম, যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট শেখ কামাল, সেলিম উল্লাহ, কুতুবদিয়া উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আবু জাফর ছিদ্দিক, যুগ্ম আহবায়ক সেলিম উদ্দিন লিটন, আরিফুল ইসলাম, টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও টেকনাফ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল আলম, সাধারণ সম্পাদক নুর হোসেন চেয়ারম্যান, পেকুয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও পেকুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বারেক, চকরিয়া পৌর যুবলীগের সভাপতি হাসানগীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল সোহেল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য, কক্সবাজারের টেকনাফের কচুবনিয়ার নুরুদ্দীন পন্ডিতের ছেলে হাজী সুলতান আহমদ সওদাগর ও রশিদা বেগম দম্পতির প্রথম সন্তান নুর আহমদ। ১৯৩৮ সালে জন্ম নেয়া নুর আহমদ ১৯৫৪ সালে পেকুয়ার জি, এম, সি, ইনষ্টিটিউট থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ এবং ১৯৫৬ সালে আই, এ পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানেই তাঁর রাজনীতির হাতেখড়ি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ১৯৬০ সালে স্নাতক এবং ১৯৬১ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে ১৯৬৪ সালে আওয়ামীলীগে যোগদেন তিনি। আর ১৯৬৪ সাল হতে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১০ বছর কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এসময় তিনি বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর এবং কক্সবাজার জেলার মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। ১৯৭০ সালে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে সাবেক পকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে কক্সবাজার মহকূমায় (বর্তমানের ৪টি আসন নিয়ে ১টি মহকূমা) এমএনএ নির্বাচিত হন। কর্ম জীবনে তিনি ছিলেন একজন দক্ষ ও সনামধন্য আইনজীবি। ১৯৬৬ সালে কক্সবাজার বার-এ যোগদানের মধ্যদিয়ে উনার পেশাগত জীবন শুরু হয় এবং অতি অল্প সময়ে সুনাম অর্জনে সক্ষম হন। তিনি জেলা আইনজীবি সমিতির তিন বার সাধারণ সম্পাদক এবং একাধিক বার সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালের ১৫ মে এড. নুর আহমদ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন। তাঁর আত্মার মাগফেরাতের জন্য সবার দোয়া চেয়েছেন যুবলীগ নেতৃবৃন্দ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •