cbn  

শাহেদ মিজান, সিবিএন:
টেকনাফে উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নেয়া ফেরদৌস আহামদ জমির সব কার্যক্রম স্থগিতে আদেশ দিয়েছেন আদালত। ১৩মে কক্সবাজার যুগ্ম-জেলা জজ-১ম আদালতের বিচারক ছৈয়দ মুহাম্মদ ফখরুল আবেদনী এই আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভাইস-নির্বাচিত ফেরদৌস আহমদ জমিরীর বিজয়ের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করে পুন: ভোট গণনার দাবি করে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ও বিদায়ী ভাইস চেয়ারম্যান মৌলভী রফিক উদ্দিন বাদী হয়ে গত ২৩ এপ্রিল কক্সবাজার নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল-১ ও যুগ্ম-জেলা ও দায়রা জজ-১ এর আদালতে ০১/২০১৯ নম্বর মামলা দায়ের করেন। মামলার শুনানী শেষে বিচারক সৈয়দ মুহাম্মদ ফখরুল আবেদীন মাওলানা ফেরদৌস আহমদ জমিরীর শপথ গ্রহণের উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন। একই সাথে পূণ: ভোট গণনার জন্য ব্যালট পেপারসহ গানিব্যাগ ও আনুসাঙ্গিক সকল কাগজ পত্র নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে তলব করা হয়।

আদালত সূত্রে আরো জানা গেছে, আদালতের আদেশ অমান্য করে টেকনাফ উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ফেরদৌস আহমদ জমিরী শপথ করায় এবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনাররকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন আদালত। তারপরও এই আদেশকে তোয়াক্কা না করে ফেরদৌস আহমদ জমিরীকে শপথ করানো হয়। একই সাথে আদেশের বিরুদ্ধে গিয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাও গত ১৩ মে অনিুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভায় জমিরীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি ইস্যু করেছিলেন। তবে গত ১২ মে বিবাদী হিসেবে আদালতের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আদালতকে জানান, সাধারণ সভায় জমিরীকে চিঠি ইস্যু করা হয়নি। কিন্তু জবাব দেয়ার পর দিনই ১৩মে জমিরী সাধারণ সভায় যোগ দিয়েছেন। এই সংক্রান্ত ছবি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।

১৩ মে উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে শুভেচ্ছা নিচ্ছেন জমিরী।

আদালতের তথ্য মতে, ১৩ মে ওই মামলার শুনানী হয়। এর আগেই আদালতের আদেশ মোতাবেক ব্যালট পেপারসহ গানিব্যাগ ও আনুসাঙ্গিক সকল কাগজপত্র আদালতে হাজির করেছেন সংশ্লিষ্ট বিবাদীরা। এসময় আদালতের বিচারক বলেছেন, আদালতের আদেশেরও পর শপথ গ্রহণ করায় ফেরদৌস আহামদ জমিরীর শপথ গ্রহণ প্রশ্নবিদ্ধ ও আইনত সমীচিন নয়। তাই ন্যায় বিচারের স্বার্থে মামলার আগামী ধার্য্যদিন পর্যন্ত ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে ১নং বিবাদী ফেরদৌস আাহমদ জমিরীর সব ধরণের কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জরুরী মিটিংয়ে থাকায় টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম তার বক্তব্য জানাতে পারেননি। তিনি পরে জানাবেন বলে জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •