শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ইয়াবা ডন ভুলু ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

ইমাম খাইর, সিবিএনঃ
কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলি এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ইয়াবা ডন ছৈয়দুল মোস্তফা প্রকাশ ‘ভুলু’র গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৩ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে কক্সবাজার শহরের কাটা পাহাড় এলাকা থেকে আলোচিত এই সন্ত্রাসীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে।
এ সময় ৪০০ ইয়াবা, একটি এলজি, দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ৬ টি খালি খোসা উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মঙ্গলবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে এ রিপোর্ট লেখাকালে নিহতের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।
সন্ত্রাসী ও ইয়াবা ডন ছৈয়দুল মোস্তফা প্রকাশ ‘ভুলু’ কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকার হাজি জহির আহমদের ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্রসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।
কক্সবার সদর মডেল থানার ওসি মোঃ ফরিদ উদ্দিন খন্দকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সিবিএনকে জানিয়েছেন, শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ইয়াবা ডন ছৈয়দুল মোস্তফা প্রকাশ ‘ভুলু’কে নিয়ে কাটা পাহাড়ে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গেলে তার বাহিনীর সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে সে গুলিবিদ্ধ হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ‘মৃত’ ঘোষণা করে।
পুলিশের খাতায় ছৈয়দুল মোস্তফা ‘ভুলু’ মোস্ট ওয়ান্টেড আসামি ছিল। একটি প্রভাবশালী মহলকে ম্যানেজ করে এতদিন ধরে সে আত্মরক্ষা করে চলেছিল। কক্সবাজার শহরের পূর্ব পাহাড়তলীসহ বিভিন্ন এলাকায় তার সশস্ত্র শক্তিশালী বাহিনী রয়েছে। গড়ে তোলে মাদকের সাম্রাজ্য।
দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী ও মাদক ডন ভুুলুকে হন্য হয়ে খুঁজছিল পুলিশ। অবশেষে গোয়েন্দা সোর্সের ভিত্তিতে সোমবার দিবাগত রাতে নিজ এলাকা থেকে আলোচিত সন্ত্রাসী ভুলুকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। তবে, তার বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করে এমন অনেক ওয়ান্টেড সন্ত্রাসী পাহাড়তলী এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে। সব সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে শহরবাসী। এদিকে, ভুলুর মৃত্যুর সংবাদে কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, সৈয়দুল মোস্তফা প্রকাশ ভুলু ৫-৬ বছর আগে পাহাড়তলীতে সর্বপ্রথম প্রকাশ্য ইয়াবা ব্যবসা শুরু করে। প্রশাসন অভিযান চালালেও ধরা পড়েনি। নিরাপদে চলছিল ভুলুর মাদক ব্যবসা। ছেলের ইয়াবার পরশে পিতা জহির হাজি বর্তমানে কোটিপতি। বর্তমানে পাহাড়তলীতে তার তিনতলা বাড়ি গড়ে উঠেছে। নগদ টাকাসহ অনেক সহায় সম্পদ রয়েছে ইয়াবা গডফাদার ভুলুর।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একজন সমাজসেবক জানিয়েছে, জহির হাজি মিয়ানমারে বাসিন্দা ছিল। ১৯৯০ সালের দিকে প্রথম বাংলাদেশে আসে। ভুলুসহ তার অনান্য ছেলেরা বেশির ভাগই মাদক ব্যবসায়ি ও মাদকাসক্ত। তাদের কারণে পাহাড়তলীর অনেকে মাদকে জড়িয়ে পড়েছে। প্রতিবেশীরা জানিয়েছে, মাদকের টাকায় নির্মিত ভুলুর আলিশান বাড়ির তৃতীয় তলায় থাকে তার মা। দ্বিতীয় তলায় থাকে প্রথম স্ত্রী এবং নিচতলায় থাকে দ্বিতীয় স্ত্রী। তার স্বজনেরাও ইয়াবার কল্যাণে লাখপতি।

সর্বশেষ সংবাদ

দিল্লি থেকে উচ্চ পর্যায়ের সফর আশা করছে ঢাকা

পেটের ভেতরে করে ইয়াবা পাচার করছে রোহিঙ্গারা

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিএইচটিএম বিভাগের ইফতার মাহফিল

চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি সাংবাদিকতা, কোণঠাসাও

ধর্ষণ: বেশি শিকার শিশুরা

মোদিকে বিএনপির অভিনন্দন

হালিম প্রতারণা !

শিক্ষক সমাজের জীবন্ত আদর্শ ও শিক্ষাগুরু কবি আফজল আহমদ বি.এ

কোনাখালী শতাধিক ভূমিহীন পরিবার পাচ্ছেন কৃষি খাসজমি

লংগদুতে মায়ের বকুনি সহ্য করতে নাপেয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

চকরিয়া সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বাঙ্গালী পাঠান আর নেই

মাতামুহুরী সেতু আবারো ভাঙনে জনদুর্ভোগ চরমে

খুটাখালীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন: বনভূমি কেটে বালু দস্যুদের সড়ক নির্মাণ

কক্সবাজার কারাগার থেকে ইয়াবা উদ্ধার

স্থানীয়রাও সমপরিমাণ সহায়তা পাবে : দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী

কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাচন ১৩ জুন: নিষ্পত্তি হয়নি চেয়ারম্যান পদের রুল

হোপ ফাউন্ডেশনের ‘আন্তর্জাতিক ফিস্টুলা নির্মূল দিবস উৎযাপন

খুরুশ্কুল ইউনিয়নের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

কর্ণফুলী নদীতে পাথরবোঝাই ‘সী-ক্রাউন’ জাহাজ ডুবি

লামায় অন্ত:স্বত্তা নারীকে মারধর : শিক্ষিকাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা