cbn  

রিয়াজ উদ্দিন, পেকুয়া:
পেকুয়া উপজেলার মগনামা কাটাফাঁড়ি ব্রীজ থেকে সোনালী বাজার সংযোগ সড়কের ধারিয়াখালী এলাকায় পর পর দুটি কালভার্ট ঝুঁকিপূর্ণ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে মগনামা-উজানটিয়ার হাজার হাজার মানুষের চলাচলে দারুন দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ভোলা খালের পানি ও মগনামার আবদ্ধ কুমখালের পানির ঢেউয়ে কালভার্টের উপর রাস্তা প্রায় বিলীন হয়ে যায়।

পেকুয়ার সাথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় চল্লিশটি গ্রামের লোকজনের চরম দুর্ভোগে পতিত হয়। মগনামা, উজানটিয়া, করিয়ারদিয়া ও মাতারবাড়ী সহ উপকূলীয় অঞ্চলের হাজার হাজার লোকজন এ সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত চলাচল করে থাকে। বৈশাখ মাস প্রায় শেষের পথে। এরপর শুরু হবে বর্ষা। এখনো পুন: নির্মাণ বা সংস্কারের কোন চিহ্ন দেখা যাচ্ছেনা।

এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিদের দাবি- দ্রুত সময়ে টেকসই কালভার্ট পুন:নির্মাণ ও সড়ক সংস্কার শুরু করা। উল্লেখিত সড়ক ও কালভার্ট প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বিলীন হয়ে যায়। প্রতি বছর সংস্কার হলেও তা কিন্তু নামে মাত্র। যতটুকু হওয়া দরকার, বরাদ্দ হলেও অসাধু ঠিকাদার ও দুর্নীতিবাজ আমলাদের কারণে কাজ যথাযথ ও টেকসই হয় না। প্রশাসনের নজরে না থাকায় অনেক সময় মগনামার কুমখাল ও ধারিয়াখালীর চিংড়ি ঘেরের ব্যবসায়ীরা মাছ ধরার জন্য সড়কের নিচ দিয়ে মাটি খনন করে অবৈধ ভাবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে। চিংড়ি ঘেরের মাছ ধরার পানি নিষ্কাশন পথ ও অতীতের দুর্নীতিবাজ ঠিকাদারদের কর্মে প্রতি বছর কালভার্ট ও সড়ক ভাঙ্গার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী জাহেদুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি এলজিইডি মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। অনুমোদন হলে অর্থপ্রাপ্তি সাপেক্ষে কাজ শুরু করা হবে। কক্সবাজার জেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মকসুদ আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি কাজে যোগ দিয়েছেন বেশি দিন হয়নি, সেহেতু তিনি সবকিছু সম্পর্কে অবগত নন। তাই তিনি বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীর মাধ্যমে অবগত হয়ে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করবেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •