cbn  

বার্তা পরিবেশক :
কক্সবাজার শহরের লিংক রোড়ের বিসিক এলাকার চিহ্নিত ইয়াবা ও জাল টাকার ব্যবসায়ী হালিমা বেগম প্রকাশ ফেরতীর বাহিনীর অপকর্মে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। তাদের মাদক ব্যবসার কারণে এলাকার যুব সমাজ ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি আইনশৃংখলার অবনতি হচ্ছে। এসব অপকর্ম বন্ধে শহরের বৈদ্য ঘোনার খাজামঞ্চিল এলাকার মৃত শহর মুল্লুকের দুই ছেলে আহম্মদ ছবি ও নুরুচ্ছবি প্রতিবাদ করায় তারা হুমকির সম্মুখিন হয়ে পড়েছে।
এরই জের ধরে গত ৮ মে’ কক্সবাজার নিউজ ডটকম (সিবিএন) ও দৈনিক কক্সবাজার পত্রিকায় ‘জাল টাকা আর মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় হুমকির মুখে দুই ভাই’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। এর পর থেকে অপরাধীরা অস্থির হয়ে পড়েছে। আর বিভিন্ন মোবাইল নাম্বার থেকে আহম্মদ ছবি ও নুরুচ্ছবিকে হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছে।
ভুক্তভোগী দুই ভাই জানায়, একেক সময় একেক বিভিন্ন নাম্বার থেকে তাদের ফোন করে হুমকি দিয়ে বলছে সংবাদ প্রকাশ বন্ধ করার জন্য। নয়ত প্রাণে মেরে ফেলবে। এছাড়া এই সংবাদ প্রকাশের ব্যাপারে তাদের দেখে নেওয়ারও হুমকি দিচ্ছে। এই অবস্থায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে অন্যায়ের প্রতিবাদকারী আহম্মদ ছবি ও নুরুচ্ছবি। তারা প্রশাসনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছেন।
হালিমা বেগমের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে জালটাকা এবং মাদক ব্যবসার চালিয়ে আসছেন। এই অপকর্মের সাথে রয়েছে তার সন্তান এবং মেয়ের জামাই এবং ছেলের বউ। বর্তমানে তার ৩ ছেলে এবং এক ছেলের বউ ইয়াবা সহ পুলিশের হাতে আটক হয়ে জেল হাজতে রয়েছে। প্রভাবশালী হালিমা বেগম ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ কারার সাহস পায়না। প্রতিবাদ করলেই তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা অথবা বাহিনীর লোকজন দিয়ে মারধর করায়।
তিনি মাদক ও জালটাকা নিয়ে একাধিকবার প্রশাসনের হাতে আটক হলেও পুনরায় একই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই অপরাধ জগতে হালিমা বেগমের সাথে জড়িত রয়েছেন তার মেয়ে রোজিনা আক্তার, ছেলে এনাম মিয়া, ফজল প্রকাশ ফজু, রেজাউল করিম, মাহমুদুল করিম ও ছেলের বউ মিনু সহ বিশাল একটি সিন্ডিকেট। যারা কক্সবাজার ছাড়িয়ে চট্টগ্রামে ইয়াবা ও জাল টাকার ব্যবসা চালাচ্ছে।
অভিযোগকারীদের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, গত ৩ মাস আগে উখিয়া মরিচ্যা চেকপোষ্টে ইয়াবা সহ আটক হয় তার ছেলে এনাম মিয়া। এছাড়া এনাম মিয়ার বিরুদ্ধে মিরশরাই থানায় মামলা রয়েছে যার জি-আর নং (০৫/১২/১৮)। গত ৫ মাস আগে তার ছেলে ফজল প্রকাশ ফজু চট্টগ্রামের সিটি গেইট এলাকায় ১৫ হাজার ইয়াবা সহ পুলিশের হাতে আটক হয়। তার মেয়ে মিনু আক্তারও চট্টগ্রামের সিটি গেইট এলাকায় ২০ হাজার ইয়াবা নিয়ে পুলিশের হাতে আটক হয়। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় মামলা রয়েছে। যার জি-আর নং (২৮-০৯-১৮)। হালিমা বেগমের ছেলে রেজাউল করিমের বিরুদ্ধেও বন্দর থানায় মামলা রয়েছে। ওই মামলার জি-আর নং-(৩৬/১২/১৮)। এছাড়া তার ছেলে মাহমুদুল করিম এলাকার চিহ্নিত গাজা ব্যবসায়ী।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •