প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

চট্টগ্রামস্থ চকরিয়া সমিতির আয়োজনে ভয়াল ২৯ এপ্রিল স্বরণে বাদ এশা চট্টগ্রাম হযরত শাহ্ আমানত দরগাহ্ সংলগ্ন তনজিমুল মোছলেমীন এতিমখানা মিলনায়তনে খতমে কুরআন, মিলাদ মাহফিল চট্টগ্রামস্থ চকরিয়া সমিতির সভাপতি আলহাজ¦ লায়ন কমরুউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বান্দরবান এর চীফ্ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আজিজুল হক।

এতে প্রধান বক্তা ছিলেন সমিতির উপদেষ্টা আলহাজ¦ রহিম উল্লাহ। সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম. হামিদ হোছাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সমিতির উপদেষ্টা আলহাজ¦ হাফেজ মোহাম্মদ আমান উল্লাহ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ লায়ন সানাউল্লাহ,আলহাজ¦ হামিদ হোছাইন, এম. জাহাংগীর কবির চৌধুরী,এডভোকেট নাছির উদ্দিন,আনোয়ার হোসেন মানিক,সালাহউদ্দিন, মিনারুল ইসলাম,এনামুল হক বেলাল,ওলীদুল আজিম, হেলাল উদ্দিন,মোহাম্মদ রিদুয়ান,মোহাম্মদ নোমান জিহাদ ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ছিদ্দিকী প্রমূখ।

সভায় বক্তারা প্রধানমন্ত্রীর নিকট উপকূলীয় মন্ত্রণালয় গঠনের জোর দাবী জানিয়ে বলেন- ২৮বছর আগে ১৯৯১সালের এইদিনে কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলাসহ উপকূলীয় অঞ্চলে নেমে আসে মহাপ্রলয়ংকারী ঘুর্ণিঝড়। সর্বনাশা তান্ডবে ধ্বংস হয়ে যায় উপকুলের মানব সভ্যতা। মৃত্যু ঘটে হাজারো মানুষের। গৃহপালিত পশু, মৎস্য, সহায় সম্পদসহ মাথা গুজানোর ঠাঁইটুকু ও হারায় হাজার হাজার পরিবার। রাস্তাঘাট, মৎস,লবণ,বনজ সম্পদ সহ নানা ক্ষেত্রে ঘটে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি।

বক্তারা আরও বলেন- উপকুলীয় অঞ্চলে ঘুর্ণিঝড়ে সামাজিক নিরাপত্তার অন্যতম উৎস হচ্ছে সাইক্লোন শেল্টার। উপকুলীয় জনপদের জনগনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হলে অবিলম্বে উপকূলীয় মন্ত্রণালয় গঠন করে পর্যাপ্ত পরিমাণ সাইক্লোন সেল্টার ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবী জানান। অনুষ্ঠান শেষে মিলাদ শরীফ পরিচালনা করেন হাফেজ ফজলুল কাদের ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সমিতির সহ সম্পাদক আলহাজ¦ মাওলানা হামিদ হোছাইন।

ক্যাপশন ঃ ভয়াল ২৯ এপ্রিল স্মরণে চকরিয়া সমিতির দোয়া মাহফিলে ও মোনাজাতে করছেন নেতৃবৃন্দ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •