মো. ফারুক, পেকুয়া:
পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের বামুলা পাড়া এলাকায় মামা বদিউল আলমকে (৩৫) কুপিয়ে ভাগিনা মোঃ আজমকে (২৬) গুলি করে হত্যাচেষ্টা চালিয়েছে দূর্বৃত্তরা।

আহত বদিউল আলম বামুলা পাড়া এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত গোলাম নবীর পুত্র ও ভাগিনা মোঃ আজম একই এলাকার জাফর আলমের পুত্র।

গত বুধবার দিবাগত রাত ১টা ও শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে এঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত দুইজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

আহত বদিউল আলমের বোন রহিমা বেগম বলেন, আমার ভাইকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বামুলা পাড়া এলাকার আনছার উদ্দিন ও মোঃ কাছিমের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী কুপিয়ে আহত করে। এ ঘটনায় আমি ২৪জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করি। এরপর মামলা তুলে নিতে ওই সন্ত্রাসীরা অামাকে বাধ্য করার চেষ্টা করে অাসছিল। মামলা তুলে না নেওয়ায় গতকাল গভীর রাতে ভাগিনা মোঃ অাজমকে লবণ মাঠের টংঘর থেকে তুলে নেয় ওই দুইজনের নেতৃত্বে অাকতার, বাবুল, কালু, অালম, নুরুচ্ছবি, দশের ঘোনা এলাকার শাহাদত ও সুন্দরী পাড়া এলাকার জাকের হোসেন ও অানোয়ার হোসেনসহ অারো কয়েকজন। একপর্যায়ে তাকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে চলে যায় সন্ত্রাসীরা। সকালে স্থানীয়রা তাকে অাহত অবস্থায় দেখতে পেয়ে অামাদের খবর দিলে উদ্ধার করে প্রথমে পেকুয়া হাসপাতালে পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এখনও তাদের দুইজনের অবস্থা গুরুতর। তাৎক্ষনিকভাবে পেকুয়া থানার ওসি জাকির হোসেন ভূঁইয়াকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। কিন্তু মামলার করার পরও পুলিশ সন্ত্রাসীদের অাটক না করায় গুলি করার মত সাহস পেয়েছে। দুইজনকে অাহত করার ঘটনায়য় জড়িতদের দ্রুত অাটক করার দাবী জানাচ্ছি।

পেকুয়া থানার ওসি জাকির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বদিউল অালমকে অাহত করার ঘটনায় মামলা রুজু হয়েছে। মোঃ অাজমকে গুলি করে হত্যাচেষ্টা করার ঘটনাটি শুনেছি। ঘটনার তদন্তপূর্বক অাইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি জড়িতদের অাটকের অভিযান অব্যাহত অাছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •