সংবাদদাতা:
কক্সবাজার সদর উপজেলার জালালাবাদে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে দুইজন আহত হয়েছে। ২৪ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৮টার সময় উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের পালাকাটাস্থ’ শুক্ররের দোকান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় আহতরা হলেন ইউনিয়নের দক্ষিণ পালাকাটা এলাকার মণিরুজ্জামানের পুত্র জাফর আলম (২৮) ও আব্দুল আজিজের পুত্র সোলাইমান প্রকাশ বাদশা। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ঘটনায় জড়িত কেউ আটক হয়নি। এ নিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মোঃ হোছন প্রভাব খাটিয়ে জোর পূর্বক জাফরের জমি জবর দখলের পাঁয়তারা করে আসছিল। এ সময় বাদী জাফর আলম টের পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাধা প্রদান করলে শাহাব উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসি তার উপর সশস্ত্র হামলা চালায়। ঘর-বাড়িতে লুট চালায়। এ ঘটনায় সোলাইমানসহ আরো কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীও আহত হন।
আহতদের রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এ ঘটনায় মো: হোছনের পুত্র রেজাউল করিম, নুরুল হুদার পুত্র তারেকসহ অজ্ঞাত ৮/১০ জন সন্ত্রাসী অংশগ্রহণ করে বলে জানা গেছে।
আহত জাফর আলম বলেন, গত বছরের ২৩ এপ্রিল আমি বাদী হয়ে কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিবাদী মোঃ হোছন গংদের বিরুদ্ধে ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনের ১৪৪ ধারায় একটি মামলা (মামলা নং ৩৮১/২০১৮) দায়ের করি। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে অস্থায়ীভাবে জমির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে বিরোধীয় সম্পত্তিতে সরজমিনে তদন্তক্রমে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ঈদগাঁও ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। কিন্তু মামলার বিবাদী মোঃ হোছন গং ও তার গুনধর পুত্ররাসহ ভাড়াটে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখল করে ঘর নির্মাণের প্রচেষ্টা চালায়। এ সময় শাহাব উদ্দিনের নেতৃত্বে ১০/১২ জন সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমার উপর হামলা চালায়।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: খাইরুজ্জামান বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমি অবগত হয়েছি। ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কেউ অভিযোগ দিলে ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •