হার্ট অ্যাটাক এড়াতে যেসব নিয়ম মেনে চলবেন

জীবনযাপনে আধুনিকতা আমাদের যেমন গতি এনে দিয়েছে, তেমনই কখনো কখনো তা দুর্গতিরও কারণ। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, ফ্ল্যাটবন্দী জীবনে শরীরচর্চা ও অন্যান্য শ্রমের কাজ না করা, হাঁটাচলা না করা, দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ, ধূমপান ইত্যাদি হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের কারণ। আমাদের দেশে আজকাল প্রায়শই হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা ঘটতে দেখা যায়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হার্ট অ্যাটাকের প্রাথমিক উপসর্গগুলো আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়। অথচ চিকিৎসকেরা বলছেন, প্রাথমিক উপসর্গগুলো দেখে সাবধানতা অবলম্বন করতে পারলে ঝুঁকি কমানো সম্ভব। ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের এক গবেষণা বলছে, হৃদরোগের প্রাথমিক উপসর্গ খেয়াল না করলে তার ফলে কেবল মৃত্যু নয়, বেঁচে থাকলেও অনেক জটিলতা নিয়ে বাঁচতে হয়।

প্রাথমিক উপসর্গ

বুকে চাপ চাপ ব্যথা, বুকের এক পাশে বা পুরো বুক জুড়ে ভারী ব্যথা, শরীরের অন্য অংশে ব্যথা, মনে হতে পারে ব্যথা শরীরে এক অংশ থেকে অংশে চলে যাচ্ছে, যেমন হতে পারে বুক থেকে হাতে ব্যথা হতে পারে। সাধারণত বাম হাতে ব্যথা হয়, কিন্তু দুই হাতেই ব্যথা হতে পারে।

মাথা ঘোরা বা ঝিমঝিম করা, ঘাম হওয়া, নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসা, বমি ভাব হওয়া, বুক ধড়ফড় করা বা বিনা কারণে অস্থির লাগা, সর্দি বা কাশি হওয়া ইত্যাদি হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ।

Heart-2

বেশিরভাগ সময় বুকে ব্যথা খুবই তীব্র হয়, ফলে শরীরের অন্য অংশে ব্যথা অনেকে টের পান না। আবার কারো ক্ষেত্রে হয়ত বুকে ব্যথা অনুভব করেন না, বিশেষ করে নারী, বয়স্ক মানুষ এবং যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসা, বুকে ব্যথা বা অজ্ঞান হয়ে যাবার মতো ঘটনা সাধারণ হার্ট অ্যাটাকের এক মাস আগে হয়।

কেন হয় হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাক?

আমাদের হৃদপিণ্ডে যে রক্ত প্রবাহিত হয়, তা হৃদযন্ত্রে আসে ধমনী দিয়ে। সেটি যখন সরু হয়ে যায়, তখন নালীর ভেতরে রক্ত জমাট বেধে যেতে পারে। ফলে নালীর ভেতর দিয়ে রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে হৃদযন্ত্রের পেশীগুলো দুর্বল হয়ে যায়, ফলে আর সে অক্সিজেন প্রবাহিত করতে পারে না। হৃদপিণ্ডের ভেতর দিয়ে অক্সিজেন প্রবাহিত না হতে পারলেই হার্ট অ্যাটাক হয়।

হার্ট অ্যাটাক হলে কী করণীয়?

হার্ট অ্যাটাক হবার পর দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, চিকিৎসা পেতে এক ঘণ্টা দেরির জন্য মৃত্যুর হার বেড়ে যায় ১০ শতাংশ। তাই হার্ট অ্যাটাক হলে করণীয়গুলো জেনে নিন-

তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। হার্ট অ্যাটাকের পরপরই রোগীকে শক্ত জায়গায় হাত-পা ছড়িয়ে শুইয়ে দিন এবং গায়ের জামা-কাপড় ঢিলেঢালা করে দিন।

হার্ট অ্যাটাকের পর যদি আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় তাহলে তাকে কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস-প্রশ্বাস চালুর চেষ্টা করুন।

Heart-3

হার্ট অ্যাটাকের পর রোগীর যদি বমি আসে তাহলে তাকে একদিকে কাত করে দিন। যাতে সে সহজেই বমি করতে পারে। এতে ফুসফুসের মতো অঙ্গে বমি ঢুকে পড়া থেকে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত ব্যক্তি রক্ষা পাবেন।

হার্ট অ্যাটাক ঠেকানোর উপায়

খাবার ও জীবনযাপনে পরিবর্তন আনতে হবে, নিয়মিত হাঁটা-চলা ও ব্যায়াম করতে হবে, সক্রিয় থাকতে হবে।

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। নিজেকে চিন্তামুক্ত রাখতে হবে। ধূমপান বন্ধ করতে হবে। মাঝে মাঝে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সর্বশেষ সংবাদ

শত বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি যে গ্রামে

দিল্লি থেকে উচ্চ পর্যায়ের সফর আশা করছে ঢাকা

পেটের ভেতরে করে ইয়াবা পাচার করছে রোহিঙ্গারা

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিএইচটিএম বিভাগের ইফতার মাহফিল

চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি সাংবাদিকতা, কোণঠাসাও

ধর্ষণ: বেশি শিকার শিশুরা

মোদিকে বিএনপির অভিনন্দন

হালিম প্রতারণা !

শিক্ষক সমাজের জীবন্ত আদর্শ ও শিক্ষাগুরু কবি আফজল আহমদ বি.এ

কোনাখালী শতাধিক ভূমিহীন পরিবার পাচ্ছেন কৃষি খাসজমি

লংগদুতে মায়ের বকুনি সহ্য করতে নাপেয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

চকরিয়া সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বাঙ্গালী পাঠান আর নেই

মাতামুহুরী সেতু আবারো ভাঙনে জনদুর্ভোগ চরমে

খুটাখালীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন: বনভূমি কেটে বালু দস্যুদের সড়ক নির্মাণ

কক্সবাজার কারাগার থেকে ইয়াবা উদ্ধার

স্থানীয়রাও সমপরিমাণ সহায়তা পাবে : দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী

কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাচন ১৩ জুন: নিষ্পত্তি হয়নি চেয়ারম্যান পদের রুল

হোপ ফাউন্ডেশনের ‘আন্তর্জাতিক ফিস্টুলা নির্মূল দিবস উৎযাপন

খুরুশ্কুল ইউনিয়নের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

কর্ণফুলী নদীতে পাথরবোঝাই ‘সী-ক্রাউন’ জাহাজ ডুবি