মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

নাইক্ষ্যংছড়ি লেকে ডুবে যাওয়া দুলাল বড়ুয়া’র মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার রাত ৮ টার দিকে চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস থেকে ডুবরী এসে নাইক্ষ্যংছড়ী লেকের প্রায় ৫৭ ফুট গভীর পানির তলদেশ থেকে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে এসএসসি পরীক্ষার ফলপ্রার্থী দুলাল বড়ুয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নাইক্ষ্যংছড়ি ইউএনও সাদিয়া আরেফিন সিবিএন-কে নিশ্চত করেছেন। দুলাল বড়ুয়ার লাশটি উদ্ধারের পর নাইক্ষ্যংছড়ী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। লাশটি ময়নাতদন্ত ছাড়াই সৎকার করার জন্য দুলাল বড়ুয়ার স্বজনেরা প্রয়োজনীয় আইনী কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি এডভোকেট দীপংকর বড়ুয়া নাইক্ষ্যংছড়ী থানা থেকে সিবিএন-কে জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, দুলাল বড়ুয়া সহ ৩০ জন বন্ধুবান্ধব পয়লা বৈশাখ উদযাপন করতে নাইক্ষ্যংছড়ি বেড়াতে যায়। রোববার ১৪ এপ্রিল বেলা একটার দিকে তারা সকলে নাইক্ষংছড়ী উপবন লেকে গোসল ও সাঁতার কাটতে নামে। সাঁতার কাটা শেষে বন্ধুবান্ধব সবাই লেকের পাড়ে উঠে আসলেও দুলাল বড়ুয়া আর উঠে আসেনি। দুলাল বড়ুয়া লেকের গভীর পানিতে ডুবে যায়। পরে বিষয়টি নাইক্ষ্যংছড়ী উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলে প্রশাসন রামু ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। রামু ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তাদের কোন ডুবরী নাথাকায় তারা কিছুই করতে পারেননি। কক্সবাজার, বান্দরবান ফায়ার সার্ভিসেও কোন ডুবরী নাথাকায় জরুরীভিত্তিতে ডুবরী পাঠানোর বিকেল ৩ টার দিকে চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসকে নাইক্ষ্যংছড়ী উপজেলা প্রশাসন জানানো হলে তারা ডুবরী সহ অন্যান্য উদ্ধার সামগ্রী নিয়ে রাত ৮ টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি পৌঁছে। পর লেকের প্রায় ৫৭ ফুট গভীর পানির তলদেশ থেকে চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের ডুবরীরা দুলাল বড়ুয়ার মৃতদেহ উঠিয়ে নিয়ে আসে। লেকে সলিল সমাধি হওয়া দুলাল বড়ুয়া (১৭) নাইক্ষ্যংছড়ী উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের কচুবনিয়া গ্রামের বৌধি মিত্র বড়ুয়া প্রকাশ দীপু’র পুত্র। দুলাল বড়ুয়া উখিয়া উপজেলার কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র হয়ে উখিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে এবছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •